
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সৈকত নগরী কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করা হবে এবার বিশ্ব পর্যটন দিবস। এ উপলক্ষে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি এই মেলা ও কার্নিভাল বাস্তবায়ন করবে। এই উপলক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
অন্যদিকে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে হোটেল-মোটেলে ভাড়ায় ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। হোটেল- মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল ডিসকাউন্ট ঘোষণা করে।
নানা ধরনের অফার ঘোষণা করেছে রেস্টুরেন্টটসহ অন্যান্য পর্যটন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও। বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটন দিবসের সাত দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালে থাকবে সেমিনার, কনসার্টসহ নানা আয়োজন। মেলায় বিভিন্ন বিষয়ে ২০০টি স্টল থাকবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি আঞ্চলিক শিল্পী মেরি, পপ শিল্পী মেহেরিন, আঁখি আলমগীর ও জনপ্রিয় কুঁড়ে ঘর ও কৌতুক অভিনেতা আরমান পারর্ফম করবেন।
এছাড়া বিদেশী পর্যটকদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান থাকবে। এতে তাঁরা জাজ মিউজিক, হ্যাবি মেটাল ও অপেরার মাধ্যমে সবাইকে মাতিয়ে তুলবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই আয়োজন চলবে। মেলা ও কার্নিভাল সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, করোনায় সবচেয়ে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পর্যটন শিল্পে। করোনার সেই প্রভাব এখনো শতভাগ কাটানো যায়নি। তাই এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসকে উপলক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে একটি নতুন গতি আসবে। বিশেষ বিদেশী পর্যটন টানার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।
হোটেল—মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ আবুল কাসেম সিকদার বলেন, সপ্তাহব্যাপী আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ থাকছে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে। সব হোটেল-মোটেলে ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। এ অফারে মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে নতুন বিশেষ প্রভাব তৈরি হবে।
কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি নঈমুল হক চৌধুরী বলেন, পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে সব আয়োজনে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করেছি। আমরা সব রেস্তোরাঁয় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের অফার ঘোষণা করেছি। আশা করি এর মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে ভালো কিছু হবে।
অন্যদিকে পর্যটন মেলা ও বিচ কার্নিভালসহ পুরো আয়োজন ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার চৌধুরী মিজানুজ্জামান বলেন, এই আয়োজন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পর্যটন এলাকার প্রতিটি স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়া পোশাকেও টহল রাখা হবে। মেলা ও কার্নিভাল ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।













