
নিজস্ব প্রতিনিধি
রামু রাজারকুল ইউনিয়নের শিকল ঘাট এলাকায় সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে রাতের অন্ধধকারে
করাতকলে কাঠ চিরাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব অবৈধ করাত কল স্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রশাসন ও বনবিভাগের লোকজনের রহস্যজনক ভুমিকার কারনে উচ্ছেদ হচ্ছে না শিকল ঘাট এলাকার এ অবৈধ করাতকলটি।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারনে সারাদেশের মত রামুতে ও সাময়িকভাবে কলকারখানা বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসন নির্দেশ দিলেও তা মানছে না কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। দিনের বেলায় তারা করাতকল বন্ধ রাখলেও রাত ১১ টার পরে আলো নিভিয়ে সারারাত অবৈধ ভাবে শিকল ঘাট এলাকায় জৈনেক সালাউদ্দিন ও মহিউদ্দিনের মালিকানাধীন করাত কলটিতে চেরাই করা হচ্ছে সামাজিক বনায়নের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এলাকার সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন মহলের কয়েকজন জানান করোনা সংকটে রামুর মানুষকে সচেতন করতে রামু উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা দিয়ে ঘরে থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে যাচ্ছে। সচেতন মহল আরো জানান গভীর রাতে করাতকলের বিকটশব্দে রাতে বাড়ির সদস্যদের ঘুমের ব্যঘাত হচ্ছ। অথচ কোন শক্তির ইশারায় রাতের বেলায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে করাতকল গুলো চালানো হচ্ছে সচেতন মহলের প্রশ্ন।
অভিলম্বে করাত কলটি উচ্ছেদ করে সরকারি জায়গা উদ্ধার করে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।
এব্যাপারে রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মামলার কারণে করাত কল টি উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না, তবে রাতের অন্ধকারে কেউ যদি করাত কল চালায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













