
আহমদ গিয়াস:
সিজনাল ফ্লু, সর্দি-কাঁশি-সাইনাসের ব্যথায় (মাথা ব্যথা) ভূগছিলাম ছোটবেলা থেকে, অন্তত চার দশক ধরে। এছাড়া ধুলাবালিময় রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ চলাচল করতে গিয়েও প্রায়ই সর্দি-কাঁশি-জ্বর আর মাথাব্যথায় আক্রান্ত হতাম। আর একবার আক্রান্ত হলেই ওষুধ খেয়েও সুস্থ হতে লাগত অন্তত এক সপ্তাহ। সকালে সূর্য বাড়ার সাথে সাথে মাথাব্যথা বাড়ত। চোখ আর নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরত। এনিয়ে হোমিপ্যাথি-এলোপ্যাথি, কত চিকিৎসাই যে নিয়েছি; কোন স্থায়ী সমাধান পাইনি। এই মাথাব্যথার জন্য কয়েকবার পরীক্ষার হল থেকেও পরীক্ষা না দিয়ে ফিরতে হয়েছে; সে ঘটনা আমার ঘনিষ্টজনরা জানেন।
এ রোগটি আমার বংশগত। নানীর নাক দিয়ে একটু পর পর পানি ঝরে পড়ত। মায়ের মধ্যেও কিছুটা দেখা যায়। এ রোগের স্থানীয় চিকিৎসায় কোন উপকার না পেয়ে প্রায় ৩২-৩৩ বছর আগে আমাকে নিউরোমেডিসিনের তৎকালীন সেরা চিকিৎসক এলএ কাদেরীর (চট্টগ্রাম শহরের চেম্বার) কাছে অনেকবার নেয়া হয়েছিল। কয়েক মাস দেখা করার পর তিনি উপায়ান্তর না পেয়ে চোখের চিকিৎসকের কাছে পাঠালেন। চোখের চিকিৎসক আমাকে চশমা পরার পরামর্শ দিলেন। চশমা নিলাম। কিছুই হল না। চমেক হাসপাতালে গিয়েও বেশ কয়েকবার দেখালাম। সেখানেও উপকার না পেয়ে চট্টগ্রামের নালাপাড়ায় এক হোমিও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলাম। তার ওষুধে একটু আরাম পেলাম বটে, তবে যতদিন খাই ততদিন ভাল থাকি। এরপর একই অবস্থা। একদিন পিজিতেও বড় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলাম। তিনি যে ওষুধ দিলেন, তা ব্যবহার করলে অবস্থার আরো অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত একদিন বিষয়টি বললাম আমার নিকটাত্মীয় এক মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে। তিনি প্যারাসিটামল আর স্টিমেটিল খেয়ে ঘুমিয়ে থাকার পরামর্শ দিলেন। আর নাক জ্যাম হলে ন্যাসল ড্রপ ব্যবহারের। কিন্তু ন্যাসল ড্রপে প্রথমদিকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও পরে আমার অস্বস্তি আরো বাড়ত। তবু উপায় নেই, চিকিৎসকের পরামর্শ! তাই সেভাবেই চলছিল। সিজনাল রোগ আর সিজনাল ছুটি বটে! কিন্তু আল্লাহর রহমতে সেই সমস্যা এখন আর নেই। আমার খেয়াল বশে পাওয়া একটি এথনো মেডিসিন/ থেরাপীতেই বিনা খরচে সেরে গেছে আমার চার দশকের কষ্ট।
কীভাবে পেলাম এ এথনো মেডিসিন?
আমি লক্ষ্য করতাম যে, সর্দি-কাাঁশির সময় নাসিকারন্দ্র বন্ধ থাকলে যে ন্যাসল ড্রপ আমি ব্যবহার করতাম তাতে প্রথমদিকে স্বস্তি পাওয়া গেলেও পরে অস্বস্তির বড় কারণ হয়ে ওঠত। তখন আমি ভাবতাম যে, এটা ঠান্ডা পানির ড্রপ না হয়ে গরম পানির ড্রপ হলে বোধহয় আমি আরাম পেতাম। হ্যাঁ, বছর দেড়েক আগে তাই করলাম এবং যাদুকরী ফলাফল পেলাম।
প্রথমে চায়ের কাপের আধা কাপ পরিমাণ গরম পানিতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে তা কুসুম গরম পরিমাণ ঠান্ডা হতে দিই। ওই পানিতে আঙুল চুবিয়ে চার সেকেন্ড বা এক থেকে চার সংখ্যা গণনা করা পর্যন্ত সহ্য করা গেলে বুঝি, এই গরমের মাত্রা নাকের নরম টিস্যুর পক্ষে সহ্য করার মত উপযোগী। এরপর এই লবণযুক্ত কুসুম গরম পানি প্রথমে নাকের একটি ছিদ্র দিয়ে টেনে গলা দিয়ে বের করি (এসময় আঙুল দিয়ে নাকের অপর ছিদ্রটি বন্ধ রাখতে হয়)। পরে উভয় ছিদ্র দিয়ে টানি। আবার কিছুক্ষণ নাকটা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখি। দেখা যায়, যতবার শ্বাস দিয়ে নাক ও গলায় গরম পানি প্রবেশ করানো হয়; তা পরিস্কার করার সময় সাথে কফও বেরিয়ে আসছে। এভাবে বেশ আরাম বোধ হলে ওইদিন আরো দুইবার করি। এতে যাদুকরী ফলাফল পাই। এরপর থেকে সর্দি-শুকনো কাঁশি-গলাব্যথা-মাথাব্যথার লক্ষণ দেখা দিলেই বিনে পয়সায় এই একটি থেরাপীতেই জয় করি চার দশকের দুরারোধ্য ব্যাধি!
উল্লেখ্য, গারগল করেও সর্দি-কাঁশিতে, এমনকি গলাব্যথাতেও আমার উপশম হত না। কিন্তু নাকে গরম পানি প্রবেশ করিয়ে আশ্চর্যজনক উপকার পাওয়া যায়। এভাবে নাক দিয়ে গলা পর্যন্ত পানি টেনে নিলে গারগলও হয়ে যায়।
পরে জানতে পারি, এই পদ্ধতিতে একসময় আমাদের দেশে সর্দি-কাঁশি-মাথাব্যথাসহ ১৬ প্রকার রোগের চিকিৎসা হত। অথচ পশ্চিমা কলোনিয়াল কথিত আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার দাপটে আমরা আমাদের এ মহামূল্যবান এথনো মেডিসিন/থেরাপীর মত ঐতিহ্যগত জ্ঞানগুলো হারিয়ে ফেলতে বসেছি। যার কারণে উচ্চ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে প্রতিবছর ৪% হারে মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে চলে যাচ্ছে। অথচ ট্রপিক্যাল রোগব্যাধির ওষুধ ট্রপিক্যাল উদ্ভিদের মধ্যেই আছে। আছে আমাদের ঐতিহ্যগত জ্ঞানের মাঝে, যে জ্ঞানগুলো দিয়ে আমরা সভ্যতাকে আজ এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছি।
এই হটওয়াটার ন্যাসল ড্রপ করোনাতে কাজ করবে কি?
এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে আমরা করোনা বা কোভিক-১৯ ভাইরাসের বৈশিষ্ট, কার্যাবলী, আক্রমণের পথ ও ধরন নিয়ে আলোচনা করি। করোনা প্রথমে গলা, এয়ারওয়েজ বা ফুসফুসে বায়ূ চলাচলের পথ এবং ফুসফুসের রেখার কোষগুলিকে সংক্রামিত করে তাদের “করোনভাইরাস কারখানায়” পরিণত করে। আর এ কারখানা বিপুল সংখ্যক নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়, যা আরও বেশি কোষকে সংক্রামিত করে। এই প্রাথমিক পর্যায়ে কেউ অসুস্থবোধ করেন না এবং কিছু লোকের মাঝে লক্ষণগুলি কখনও বিকাশ করতে পারে না। শরীরে করোনার ইনকিউবেশন পিরিয়ড ও সংক্রমণ থেকে প্রথম লক্ষণ দেখা দেয়া পর্যন্ত গড়ে পাঁচ দিন সময় লাগে। এরপর বেশিরভাগ লোকই হালকা রোগ অনুভব করে। কোভিড -১৯ ধরা পড়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে আট জনের একটি হালকা সংক্রমণ হয়; যার মূল লক্ষণ জ্বর এবং কাঁশি। এসময় শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা সবই হতে পারে, তবে নাও হতে পারে বলে মনে করেন করোনা বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, জ্বরসহ এসব লক্ষণ আপনার শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার ফলাফল।
বিশেষজ্ঞরা ভাইরাসটিকে ‘আক্রমণাত্মক আক্রমণকারী’ হিসাবে অভিহিত করে জানান, ভাইরাসটি শরীরে বাসা তৈরির পর সাইটোকাইনস নামক এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থের নি:সরণ ঘটিয়ে শরীরের বাকী অংশকেও আক্রান্ত করে। এই ভাইরাসটি সংক্রমণকালে প্রাথমিকভাবে গলায় একটি শুকনো কাটা আটকে থাকার মত জ্বালা অনুভ‚ত হয়, সাথে থাকে শুকনো কাঁশি। কিছু লোকের কাঁচা কাঁশি শুরু হতে পারে, যে কাঁশির সাথে কফ হয়ে বেরিয়ে আসবে ভাইরাসের আক্রমণে মরে যাওয়া ফুসফুসের কোষযুক্ত একটি ঘন শ্লেষ্মা। এই লক্ষণগুলি বেড রেস্ট বা শয্যা বিশ্রাম, প্রচুর পরিমাণে তরল এবং প্যারাসিটামল দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। অর্থাৎ কারো বিশেষজ্ঞের যতেœর প্রয়োজন হয় না। এই পর্যায়টি প্রায় এক সপ্তাহ স্থায়ী হয়। আর এই সময়ে সর্বাধিক পুনরুদ্ধার হয়; কারণ তাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। তবে এই সময়ে কেউ কেউ করোনার আরো গুরুতর অবস্থার দিকে যেতে পারে, যখন দেখা যায় তার নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে।
করোনা-১৯ এর উৎপত্তি কিভাবে?
এক্ষেত্রে ২ টা সম্ভবনার কথা বলা হচ্ছে। একটা হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবেই হয়েছে, অন্যটি হচ্ছে এটা চীনের ল্যাবে তৈরি একটি বায়ো উইপেন বা জীবাণু অস্ত্র। তবে প্রাকৃতিকভাবে হওয়ার পক্ষেই অধিকাংশ বিজ্ঞানী।
করোনার জেনেটিক কোড এনালাইসিস করে দেখা গেছে যে, এটি বাদুরের শ্বাসনালীতে থাকা করোনা ভাইরাসের সাথে ৯৬% মিলে যায় এবং বনরুইয়ের শ্বাসনালীতে থাকা করোনা ভাইরাসের সাথে ৯৯% মিলে যায়। আসলে এই ২ টা ভাইরাস দিয়ে যদি একই সময়ে অন্য কোন প্রাণীর শরীরে আক্রমণ হয়, তাহলে ঐ প্রাণীর কোষের মধ্যে এই ২টা ভাইরাস একই সময়ে Replication করতে গিয়ে একে অপরের সাথে মিলে নতুন আকৃতি ধারণ করে গিয়ে একটা Strain (Recombinant virus) তৈরি করে। ধারণা করা হয়, এই ইন্ডারমিডিয়েট হোস্টটা হচ্ছে সাপ। পরবর্তীতে এই ভাইরাস শ্বাসনালীর মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়িয়েছে।
অন্যদিকে আরেকটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে চীন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে, তাই তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সব সেক্টরেই প্রতিযোগিতা দিচ্ছে। আর এজন্যই তারা জৈব অস্ত্র তৈরির দিকে মনোনিবেশ করছে। ধারণা করা হয়, চীন উহানে অবস্থিত তাদের সামরিক ল্যাবে এই ভাইরাস নিয়ে কাজ করছিলো। ইচ্ছাকৃতভাবে না হলেও দূর্ঘটনাজনিতভাবে ঐ প্রতিষ্ঠান থেকেই উহানে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। আর ওখান থেকে এখন পুরো দুনিয়ায়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে, করোনার এই তান্ডবলীলা ২ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ভাইরাসটি অনেক শক্তিশালী বিধায় এরা দ্রুত মিউটেট করে। ভাইরাসটি এপর্যন্ত ৩৮৪ বার মিউটেটেটেড হয়েছে। ফলে ভ্যাক্সিন তৈরি করেও খুব একটা লাভ হবে কীনা বলা যাচ্ছে না। এটা আমাদের জন্য খারাপ সংবাদ হলেও আরেকটা আশার বাণী হচ্ছে, এই ভাইরাস কম সময়ে যত বেশি বার মিউটেটেড হয় তারা তত দ্রুতই সামর্থ্য হারিয়ে দূর্বল ভাইরাসে পরিণত হয়।
কোরআন কি বলে?
Sura AnAm
وَالَّذِينَ كَذَّبُواْ بِآيَاتِنَا صُمٌّ وَبُكْمٌ فِي الظُّلُمَاتِ مَن يَشَإِ اللّهُ يُضْلِلْهُ وَمَن يَشَأْ يَجْعَلْهُ عَلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা মূক ও বধির। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।
৪০.
قُلْ أَرَأَيْتُكُم إِنْ أَتَاكُمْ عَذَابُ اللّهِ أَوْ أَتَتْكُمُ السَّاعَةُ أَغَيْرَ اللّهِ تَدْعُونَ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি পতিত হয় কিংবা তোমাদের কাছে কিয়ামত এসে যায়, তবে তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ডাকবে? (বল) যদি তোমরা সত্যবাদী হও।
৪১.
بَلْ إِيَّاهُ تَدْعُونَ فَيَكْشِفُ مَا تَدْعُونَ إِلَيْهِ إِنْ شَاء وَتَنسَوْنَ مَا تُشْرِكُونَ
বরং তোমরা তো তাঁকেই ডাকবে। অতঃপর যে বিপদের জন্যে তাঁকে ডেকে থাকো, তিনি ইচ্ছা করলে তা দূর করে দেন। যাদেরকে অংশীদার করছ, তখন তাদেরকে ভুলে যাবে।
৪২.
وَلَقَدْ أَرْسَلنَآ إِلَى أُمَمٍ مِّن قَبْلِكَ فَأَخَذْنَاهُمْ بِالْبَأْسَاء وَالضَّرَّاء لَعَلَّهُمْ يَتَضَرَّعُونَ
আর আমি আপনার পূর্ববর্তী উম্মতদের প্রতিও রসূল প্রেরণ করেছিলাম। অতঃপর আমি তাদেরকে অভাব-অনটন ও রোগ-ব্যধি দ্বারা পাকড়াও করেছিলাম যাতে তারা কাকুতি-মিনতি করে।
৪৩.
فَلَوْلا إِذْ جَاءهُمْ بَأْسُنَا تَضَرَّعُواْ وَلَـكِن قَسَتْ قُلُوبُهُمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ مَا كَانُواْ يَعْمَلُونَ
অতঃপর তাদের কাছে যখন আমার আযাব আসল, তখন কাকুতি-মিনতি করল না কেন ? বস্তুতঃ তাদের অন্তর কঠোর হয়ে গেল এবং শয়তান তাদের কাছে সুশোভিত করে দেখাল, যে কাজ তারা করছিল।
৪৪.
فَلَمَّا نَسُواْ مَا ذُكِّرُواْ بِهِ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ أَبْوَابَ كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى إِذَا فَرِحُواْ بِمَا أُوتُواْ أَخَذْنَاهُم بَغْتَةً فَإِذَا هُم مُّبْلِسُونَ
অতঃপর তারা যখন ঐ উপদেশ ভুলে গেল, যা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল, তখন আমি তাদের সামনে সব কিছুর দ্বার উম্মুক্ত করে দিলাম। পরিশেষে, তাদেরকে প্রদত্ত বিষয়াদির জন্যে তারা যখন খুব গর্বিত হয়ে পড়ল, তখন আমি অকস্মাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম। তখন তারা নিরাশ হয়ে গেল।
৪৫.
فَقُطِعَ دَابِرُ الْقَوْمِ الَّذِينَ ظَلَمُواْ وَالْحَمْدُ لِلّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
অতঃপর জালিমদের মূল শিকড় কর্তিত হল। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই জন্যে, যিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা।













