
জাহাঙ্গীর অালম কাজল, নাইক্ষ্যংছড়ি:
প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ঘরে ঘরে গিয়ে শ্রমজীবী, কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছেন
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যন ও উপজেলা অাওয়ামী লীগের সভাপতি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি অার্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত “দুর্যোগে মানবিক প্রয়াস সংগঠনের চেয়ারম্যন অধ্যাপক শফিউল্লাাহ।
তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে ও বাজার এ গিয়ে সবাইকে ঘরে থাকা, সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং অযথা আড্ডা- ঘুরাফেরা না করার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকালে তিনি এ প্রতিবেদক কে বলেন, বর্তমান বিশ্বের বিস্ময়কর এক সুদক্ষ রাষ্ট্রনায়ক ও মানবতার জননী অামাদের অাওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের মাননীয়া মন্ত্রী বাবু বীর বীর বাহাদুর এমপির নির্দেশে
শ্রমজীবী কর্মহীন, হতদরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে কাজ করছে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা অাওয়ামী লীগ।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ সরকার খোলা বাজারে ১০টাকা দামের ৩০ কেজি চাল, ভিজিডি চাল বিতরণে মনিটরিং এবং মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ঘরে থাকতে বিশেষভাবে অনুরোধ করে সচেতনতা মূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
খাদ্যসামগ্রীর যে খানে সংকট সেই খানেই, সার্বক্ষনিক পরিস্থিতির খবরা খবর নিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যন অধ্যাপক শফিউল্লাহ। তিনি বলেন, সরকারের নির্দশে মোতাবেক হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিতে কাজ করছি।
এদিকে বর্তমান করোনা দুর্যোগে নাইক্ষ্যংছড়ির পরিস্থিতির বিষয়ে স্হানীয়রা জানান,জীবনের ঝুকি নিয়ে আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় অাসহায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ত্রাণ দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন উপজেলা চেয়ারম্যন অধ্যাপক শফিউল্লাহ।
অন্যদিকে এ সংকটময়ে যে কোন সময় তার সাথে বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে যোগাযোগ করলে বুঝা যায় তিনি দিন রাত এ কাজে নিয়োজিত থাকেন।
এই ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতে তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অাসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছানোর নিশ্চিতসহ কর্মহীন মানুষের প্রতিনিয়ত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
গনমাধ্যমকর্মীদের কে উপজেলাবাসীরা জানান, এ সংকটময় মুর্হুতে ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছানো নিশ্চিতসহ অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের খোঁজ খবরও নিচ্ছে তিনি।











