টেকনাফে মালয়েশিয়া ফেরত ৩৯৮ রোহিঙ্গা কোয়ারেন্টাইনে

0
7

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টেকনাফে আটক হওয়া মালয়েশিয়া ফেরত ৩৯৬ রোহিঙ্গাকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তত্ত্বাবধানে উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফ ট্রানজিক ক্যাম্পে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে এসব রোহিঙ্গাদের ইউএনএইচসিআরের কাছে হস্তান্তর করে কোস্টগার্ড। পরে তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার সোহেল রানা বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদেরকে ইউএনএইচসিআরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখানে ১৮২ জন নারী ১৫০ জন পুরুষ ও ৬৪ জন শিশু রয়েছে। কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তাদেরকে স্ব স্ব ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া একজনের সর্দি-কাশি থাকায় তাকে আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার রাতে মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি টেকনাফের জাহাজপুরা নামক এলাকায় সমুদ্র সৈকতে আসলে কোস্টগার্ড তাদেরকে আটক করে। পরবর্তীতে বিজিবি ও পুলিশের সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোরে তাদেরকে টেকনাফ পৌর এলাকার ট্রানজিট জেটি এলাকায় এনে রাখা হয়। সেখানে অসুস্থদের চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। পরে বিকাল ৩টার দিকে তাদেরকে ইউএনএইচসিআরের মাধ্যমে উখিয়া টেকনাফের দুটি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়াারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

উদ্ধার রোহিঙ্গারা জানান, ৫৮ দিন আগে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা উখিয়া-টেকনাফ কক্সবাজারসহ বিভিন্ন উপকূল থেকে দালালদের মাধ্যমে ছোট ছোট ট্রলারে করে সাগরে অপেক্ষমান বড় ট্রলারটিতে উঠে। পরে সেটি মালয়েশিয়া উপকূলে পৌঁছেও কড়াকড়ির কারণে তারা সেদেশে ঢুকতে পারেনি। এভাবে দীর্ঘদিন তারা সাগরে ভাসতে থাকে। ট্রলারটি ছিল মিয়ানমারের এবং ট্রলাটির মাঝিমাল্লারা ছিল মিয়ানমারের নাগরিক (রাখাইন)। কয়েকজন রোহিঙ্গা দালালও ছিল সেখানে। সাগরে ভাসতে ভাসতে একপর্যায়ে ট্রলারের প্রায় ৩২ জন যাত্রী অসুস্থ হয়ে মারা যায় বলে দাবি করে রোহিঙ্গারা। যাদেরকে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

 

আগেচট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিকম্প
পরেবিপন্ন, কর্মহীন মানুষের পাশে ঢাকাস্থ রামু সমিতি