চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ২ জনের, অগ্নিদগ্ধ ৩

0
3

সিবিকে ডেস্কঃ

চট্টগ্রাম বন্দরের ৯ নম্বর জেটির বিপরীত পাশে কর্ণফুলী নদীতে অবস্থান নেয়া এনসিসি এমটি ইরামতি নামে একটি তেলবাহী জাহাজে  হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই জাহাজের এক টেন্ডল ও এক লস্করের মৃত্যু হয়। দগ্ধ হয়েছেন আরও তিন শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। খবর পেয়ে বন্দরের টাগবোট কাণ্ডারী-১, কাণ্ডারী-১০ পানি ও ফোম ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সেই সঙ্গে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

নিহতরা হলেন— ফেনীর বাসিন্দা জাহাজের লস্কর পদে কর্মরত রুহুল আমিন (৪৫) ও নোয়াখালীর বাসিন্দা টেন্ডল পদে কর্মরত নিজাম উদ্দীন (৪০)।

অন্যদিকে দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন- আবু সুফিয়ান (৪৭), সাহাবুদ্দিন (৬০) ও মনির হোসেন (৩৪)। তাদের গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে বলে জানা যায়।

গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দগ্ধ তিনজনকেই বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

এদের মধ্যে আবু সুফিয়ান ও সাহাবুদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে দগ্ধ মনির হোসেনের অবস্থা অনেকটাই আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া।

বন্দর সূত্র জানায়, ৬০ মিটার লম্বা ও সাড়ে ৩ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) ট্যাংকারটি ১২০০ টন পণ্য নিয়ে আশুগঞ্জ থেকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে সুপার পেট্রোক্যামিক্যাল জেটিতে আসে। জাহাজটির এজেন্ট ঈগল রিভার ট্রান্সপোর্ট। সকালে ট্যাংকারটির ইঞ্জিন রুমে আগুন ধরে গেলে ঘটনাস্থলে ২ জন মারা যান। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

আগুন লাগার খবর পেয়ে বন্দরের পাইলট আবুল খায়েরের নেতৃত্বে টাগবোট কাণ্ডারী ১, কাণ্ডারী ১০ পানি এবং ফোম ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কাজে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দেয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক আজিজুল ইসলাম।

আগেআজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল: ধ্বংসযজ্ঞের ৩০ বছর পরও থামেনি স্বজন হারাদের আর্তনাদ
পরেভারতে একদিনে আক্রান্ত পৌনে ৪ লাখ, মৃত্যুতেও রেকর্ড