
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার সদরেরর ঈদগাঁও’র মাইজপাড়ায় স্ত্রী ও শ্বশুর কর্তৃক নির্মমভাবে মারধরের ও নির্যাতনের শিকার গুরুতর আহত মনজুর আলমের মৃৃৃৃত্যু হয়েছে। ২২ মে দুপুর ১২ টায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পথে মনজুর আলম মৃত্যুবরণ করেন। মৃত মনজুর আলম কালিছড়া এলাকার মৃত আবদুল গণির পুত্র।
জানা যায়
২১ মে কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে প্রবাসীকে স্ত্রী ও শ্বশুরসহ ৮জন মিলে নিষ্ঠুর কায়দায় পিটুনির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নজরে আসে পুলিশের। উক্ত ঘটনায় স্ত্রী ও শ্বশুরসহ ৮জনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, ঈদগাঁওয়ের কালিরছড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে মঞ্জুর আলম (৪৫) দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়েছেন। প্রবাস জীবনে যা আয় করেছেন তা বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রুনা আক্তারের নামে পাঠাতেন। তাঁর স্ত্রী নিজের নামে কিনেছেন জমি। আর সেখানেই বানিয়েছেন বহুতল ভবনও। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির কারণে ছুটিতে আসার পর আর বিদেশ যাওয়া হয়নি মঞ্জুর আলমের। এরই মধ্যে স্বামী স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। স্বামীর সাথে দূরত্ব বাড়াতে থাকেন স্ত্রী রুনা।
এক পর্যায়ে শুক্রবার (২১মে) বাবা, মা, ভাই বোনসহ সবাই মিলে দিন দুপুরে হত্যার উদ্দেশ্যে মঞ্জুর আলমকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন উক্ত মারধরের ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলে বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আসে।
তাৎক্ষনিক জেলার ঈদগাঁও থানা পুলিশের একটি চৌকষ টিম তাঁর স্ত্রীসহ উক্ত ঘটনার সাথে জড়িৎ সকলকে গ্রেফতার করে।
এব্যাপারে মারা যাওয়া মনজুরের পরিবারেরর পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।













