টেস্টে ফিরেই সেঞ্চুরি মাহমুদউল্লাহ

0
3

হারারে টেস্টের দ্বিতীয় দিন সকালে উত্তাপের এই শেষ নয়।

৮৮তম ওভারে বোলিং করতে এসেছিলেন ভিক্টোর নিয়াউচি। তবে নিয়াউচি ডেলিভারিটা সম্পন্ন করার আগেই সরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ, প্রস্তুত ছিলেন না বলে। নিয়াউচিও সেটি সহজভাবে নেননি, ডেলিভারি না করলেও বলটা ছুড়ে মেরেছিলেন। পরেরবার নিয়াউচি ডেলিভারি-স্ট্রাইডে গেলেন ঠিকই, তবে এবার তিনি ডেলিভারিটা করলেন না। এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠলেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি হাঁটা দিলেন বোলারের পেছন পেছন, আঙুল তুলে কিছু একটা বলছিলেনও তাকে। শেষে আম্পায়ার মারাই এরাসমাস এসে মধ্যস্থতা করেছেন দুজনের। পরেরবার রান-আপ শুরু করেও থেমে গিয়েছিলেন নিয়াউচি।

এমন উত্তাপের মধ্যেই জিম্বাবুয়েকে হতাশ করে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ ও তাসকিন। দুজনের জুটি ফিফটি ছাড়িয়েছে, বাংলাদেশের স্কোর ৩০০ পেরিয়েছে আরও আগেই। তাসকিন যেন বনে গেছেন পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান। ৬১ বলে ৪৭ করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে ক্রাইস্টচার্চে এর আগে করেছিলেন ৩৩ রান, সেটিই ছিল টেস্টে তার সর্বোচ্চ স্কোর। আজ সেটিকেও ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। সর্বোচ্চ স্কোর গড়ার পথে এখন পর্যন্ত মেরেছেন ৭টি চার। ৩২ রানে অবশ্য একটা জীবনও পেয়েছেন তিনি। রিচার্ড এনগারাভার বলে দ্বিতীয় স্লিপে পড়েছে তার ক্যাচ।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় দুজনের জুটি ছিল ১২১ রানের। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৯২। মাহমুদউল্লাহ ১০৪ রান করে অপরাজিত।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এর আগে নবম উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি ছিল ৩৫ রানের—সেটি ২০০৫ সালে সেটি গড়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তাপস বৈশ্যের। সব মিলিয়ে ৯ম উইকেটে বাংলাদেশের এটি এখন তৃতীয় সর্বোচ্চ জুটি।

আগেব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কঠিন হুঁশিয়ারি লোহাগাড়া ওসির
পরেসরকারকে ৫ প্রস্তাব বিএনপির