
অনলাইন ডেস্কঃ
আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থানের পেছনে অনেকাংশেই কলকাঠি নেড়েছে পাকিস্তান। এই দ্রুত পট পরিবর্তনের পর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় এক ঝটকায় অনেকখানি শক্তিশালী হয়ে গেল ইসলামাবাদের হাত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের বিশেষ প্রতিবেদনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সরাসরি মদতপ্রাপ্ত তালেবান গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ ক্রমশ পোক্ত হয়ে উঠবে আফগানিস্তানে। তাই আন্তর্জাতিক বিশ্বে পাকিস্তানের গুরুত্ব বাড়ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আফগানিস্তানে ক্ষমতার দখল নিয়েছে তালেবান। রাস্তা-ঘাট, বাজার-দোকান থেকে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ— এখন সর্বত্র বন্দুক হাতে সামনে তারা। কিন্তু পেছন থেকে অনেকাংশেই কলকাঠি নাড়ছে পাকিস্তান।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তালেবান নেতৃত্ব যে কাঠামোতেই আফগানিস্তানে সরকার গড়ুক বা দেশের নাম বদলে দিক, পাকিস্তানের ওপর তাদের নির্ভরতা অদূর ভবিষ্যতে বাড়বেই। আন্তর্জাতিক বৈধতা পাওয়ার জন্য ইসলামাবাদকে কাজে লাগানো ইতিমধ্যে শুরুও করে দিয়েছে তারা। বাণিজ্য (বিশেষত জরুরি পণ্য আমদানি), পণ্য চলাচল সমেত বিভিন্ন কাজে উন্মুক্ত পাক সীমান্ত ও ওই প্রতিবেশী দেশের বন্দর শহরগুলি তাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি। তালেবান জানে, তারা ক্ষমতা দখল করেছে সামরিক শক্তি প্রয়োগে। তারা কূটনীতিতে অচ্ছুত। তাই তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য প্রতি পদে দরকার হবে পাকিস্তানের মতো একটি দেশকে। ভৌগোলিক অবস্থানের প্রশ্নে যার গুরুত্ব আফগানিস্তানের কাছে সব থেকে বেশি। যারা বন্ধুভাবাপন্ন অথচ যেখানে এখনও ভোটে জিতে আসা সরকার রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা চীনের সঙ্গে যে দেশের সম্পর্ক মধুর।













