খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে আবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

0
4

সিবিকে ডেস্কঃ

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে করা পরিবারের আবেদন আজ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে মতামত চূড়ান্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। আইন মন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসার পরে আবেদনটি আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য মতামতসহ আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠাবে।

তবে এ নিয়ে খোলাসা করেননি আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, আবেদনটি যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে ততক্ষণ কি মতামত দেয়া হয়েছে তা বলা সম্ভব নয়।

গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ভাই শামীম এস্কান্দার। এদিকে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম জানিয়েছেন, মুক্তি পেলে খালেদা জিয়া পালিয়ে যাবেন না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করছেন খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দণ্ডিত হওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। গত বছর করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর, মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন। এরপর কয়েক দফায় বাড়ানো হয় তার মুক্তির মেয়াদ। সবশেষ চলতি বছর মার্চে, তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয় ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে মতামত চূড়ান্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। আইন মন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসার পরে আবেদনটি আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য মতামতসহ আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠাবে।

তবে এ নিয়ে খোলাসা করেননি আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, আবেদনটি যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে ততক্ষণ কি মতামত দেয়া হয়েছে তা বলা সম্ভব নয়।

গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ভাই শামীম এস্কান্দার। এদিকে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম জানিয়েছেন, মুক্তি পেলে খালেদা জিয়া পালিয়ে যাবেন না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করছেন খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দণ্ডিত হওয়ার পর তাকে নেওয়া হয় পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে। গত বছর করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর, মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন। এরপর কয়েক দফায় বাড়ানো হয় তার মুক্তির মেয়াদ। সবশেষ চলতি বছর মার্চে, তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয় ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

আগেমহাপরিচালক ঘোষণার পরই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুফতি আব্দুস ছালাম
পরেরামুর মৈষকুমের ঐতিহ্যবাহী কবরস্হান দখল মুক্ত করলো জনতা