
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
চলতি বছরে শান্তিতে যৌথভাবে নোবেল পেলেন মারিয়া রেসা এবং দিমিত্রি মুরাতভ। মারিয়া রেজা এবং দিমিত্রি মুরাতভ দুজনই সাংবাদিক।
শুক্রবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি।
ফিলিপিন্সের নাগরিক মারিয়া রেসা বাকস্বাধীনতা, ক্ষমতার অপব্যহার, সহিংসতা ও নিজ দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। ২০১২ সালে তিনি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ডিজিটাল মিডিয়া কোম্পানি র্যাপলারের প্রতিষ্ঠাতা।
এখন পর্যন্ত তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিক ও র্যাপলারের প্রধান হিসেবে বাকস্বাধীনতার অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আর কয়েক দশক ধরে রাশিয়ায় বাকস্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করেছেন দিমিত্রি মুরাতভ। ব্যাপক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তাকে থেমে থাকতে দেখা যায়নি। স্বাধীন সংবাদমাধ্যম নোভাজা গ্যাজেটা সহ-প্রতিষ্ঠাদের একজন তিনি। ১৯৯৩ সালে এই সংবাদমাধ্যমটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ১৯৯৫ সাল থেকে ২৪ বছর তিনি পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯০১ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী শান্তিপ্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। মাঝে বিশ্বযুদ্ধের বছরগুলোতে পুরস্কার দেওয়া বন্ধ ছিল। ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ১০১বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। আর এ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ১৩৫ বিজয়ী, যাদের মধ্যে রয়েছেন ১০৭ জন ব্যক্তি ও ২৮টি প্রতিষ্ঠান।
এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি তিনবার শান্তিতে নোবেল পেয়েছে রেড ক্রস (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে)। এছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর পেয়েছে দুবার (১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে)।
গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি। ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং ক্ষুধাকে যুদ্ধ-সহিংসতার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধের চালিকাশক্তি হিসেবে অবদান রাখায় সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয় জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাটিতে।
এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল জেতেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও দেশটির মধ্যে জাতিগত সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এ পুরস্কার পান তিনি।
২০১৪ সালে সর্বকনিষ্ঠ নোবেল বিজয়ীর স্বীকৃতি পান পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই।













