
অনলাইন ডেস্কঃ
শনিবার বিরোধী দলীয় এমপিদের অনাস্থা ভোটের কারণে হেরে যাওয়া ইমরান খান পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ‘আমদানি করা’ সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার প্রতিবাদে তিনি এ বিক্ষোভের ডাক দেন।
সোমবার (১১ এপ্রিল) ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক ডনকে বলেন, ‘আগামী বুধবার (১৩ এপ্রিল) থেকে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু করছি আমরা। দলের প্রথম বিক্ষোভ সমাবেশ হবে পেশোয়ারে।’
সফল ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিতে আসা ইমরান ২০১৮ সালে দুর্নীতিমুক্ত, সমৃদ্ধ, বিশ্বের কাছে শ্রদ্ধা পাওয়ার মতো দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
শনিবার ক্ষমতা হারানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে প্রথম টুইটেই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেলেন ইমরান খান। সেই টুইটবার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বাধীন হওয়ার সংগ্রাম আজ শুরু হল, ক্ষমতা পরিবর্তনে বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে। আর সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার কাজটি বরাবর জনগণই করে আসছে।’
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ইসলামাবাদ, করাচি, পেশোয়ার, লাহোরসহ সব বড় বড় শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইমরানের সমর্থকরা। রোববার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়েও প্রবাসী পাকিস্তানীদের একাংশ ইমরান খানের সমর্থনে মিছিল করেছেন।
বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য দলের সমর্থকদের ধন্যবাদ দিয়ে ইমরান খান, ‘গণতন্ত্রের দাবিতে ও বিদেশীদের সঙ্গে চক্রান্তে লিপ্ত থাকা কুটিলদের বিরুদ্ধে এত বড় স্বতস্ফূর্ত মিছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে ঘটেনি। আমি মিছিলে অংশ নেওয়া সব পাকিস্তানিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’













