দুর্নীতি মামলায় প্রদীপের ২০, স্ত্রীর ২১ বছরের জেল

0
4

সিবিকে ডেস্কঃ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে ২০ বছর ও তার স্ত্রী চুমকী কারনকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রদীপকে ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীকে ৪ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তাদের সম্পতি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, গত ১৭ জুলাই প্রদীপ-চুমকি দম্পতির বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ বুধবার (২৭ জুলাই) দিন ধার্য করেছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ধারায় চুমকিকে ১ বছর কারাদণ্ড। একইসঙ্গে ১ লাখ  জরিমানা ও অনাদায়ে ১ মাস কারাদণ্ড। ২৭ (১) ধারায় প্রদীপ ও চুমকির ৮ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪ কোটি টাকা জরিমানা। এছাড়া ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় ২ বছরের কারাদণ্ড এবং একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা ও অনাদায়ে ২ মাস কারাদণ্ড।

জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়।

২০২১ সালের ২৮ জুলাই মামলার বাদি ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর আসামি প্রদীপের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকি দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার পর থেকে অভিযোগ গঠন পর্যন্ত প্রদীপ আদালতে উপস্থিত থাকলেও তার স্ত্রী পলাতক ছিলেন।

এরইমধ্যে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি চুমকির অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় প্রদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর উচ্চ আদালতে রিভিশন আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় ওইদিন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি। পরবর্তী সময়ে গত ৪ এপ্রিল আবেদন নিষ্পত্তি হওয়ায় ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার সাক্ষ্য নেওয়ার শেষ পর্যায়ে চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মেরিনড্রাইভ চেক পোস্টে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আছেন প্রদীপ কুমার দাশ।

আগেপেকুয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এম শহিদুল্লাহ ও সম্পাদক আবুল কাশেম
পরেদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার