
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
তিনি বলেন, দুপুরে ৩০ বছর বয়সী এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসে টেকনাফ থানা পুলিশ। পরে বিকেল ৩টার দিকে মরদেহটির ময়নাতদন্ত শেষ হয়।
ময়নাতদন্তে ওই যুবকের পেটের ভেতরে স্কচটেপ ও কনডম মোড়ানো অবস্থায় আট পোটলা ইয়াবা পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে ২/৩টি পোটলা গলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ কারণে কি পরিমাণ ইয়াবা রয়েছে তার সঠিক সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। ইয়াবার পোটলাগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান আরএমও ডা. আশিকুর।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- পেটের ভেতর গিলে ফেলা ইয়াবার পোটলা ফেটে যাওয়ার কারণে বিষক্রিয়া হয়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। যুবকের অন্ত্র (পাকস্থলী থেকে পায়ু পর্যন্ত লম্বা প্যাচানো নালি) ফেটে গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হবে।
সোমবার (৩ এপ্রিল) রাতে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের রুহুল্ল্যাডেবা নামক এলাকা থেকে মাসুদ রানা ওরফে ইদ্রিস পাটোয়ারি (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, এক ব্যক্তির বসতঘরে রহস্যজনক মৃত এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় শান্তি দেবীর মালিকাধীন মোহাম্মদ আজিজের ভাড়া বাসার রান্না ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের বরাতে দিয়ে ওসি আব্দুল হালিম বলেন, গত আড়াই বছর আগে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ এলাকার মাঝেরপাড়ার অটো রিকশাচালক মোহাম্মদ আজিজ বাসাটি ভাড়া নেয়। তবে বাসায় আজিজ ছাড়া পরিবারের অন্য কেউ থাকতো না। আর মাসুদ রানা মাঝেমধ্যে বাসাটিতে আসা-যাওয়া করতেন।
তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ আজিজ পলাতক। এ রহস্য বের করতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসার মালিকের ছেলে সুমন দেবকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।











