রামুতে টাকা দিলেই মিলছে চোরাই গরু বৈধতার বিশেষ প্রত্যয়ন পত্র

0
6

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অনিয়ম দুর্নীতি এবং অভিযোগের শেষ নেই কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বিরুদ্ধে। এবার অদ্ভুত এক নিয়ম চালু করে স্যোশাল মিডিয়াতে হাসির খোরাক হয়েছে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

পরিষদের প্যাডে গবাদিপশু (গরু)র বৈধতায় বিশেষ এক প্রত্যায়ন পত্র দিয়ে আলোচনায় এসেছে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। গত কয়েক সাপ্তাহ ধরে রামুর পূর্বাঞ্চল তথা কচ্ছপিয়াতে গরুর প্রত্যয়ন পত্র দিয়ে আলোচনা -সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে ৮০০-৫০০ টাকায় গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, নাইক্ষ্যংছড়িতে বার্মিজ অবৈধ গরু বৈধ করতে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এক বিশেষ প্রত্যায়ন পত্র দিয়ে আসছিলো। যার সত্যতা পথে ঘাটে বার বার উঠে এসেছিলো প্রতিবেদনে।
অবশেষে ০৩ এপ্রিল সোমবার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সালেহ আহমদ ও ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু আইয়ুব আনছারী একটি গরুর প্রত্যয়ন দেয়। যাতে সম্মতি দিয়েছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইসমাইল মোঃ নোমান। প্রত্যয়নে নেছার উদ্দিনকে একটি লাল গরুর মালিক বলে গরুটি বিক্রয়ের সুপারিশ করা হয়। এতে গরুর সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য।
এ বিষয়ে টেলিফোনে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, সীমান্ত হয়ে অবৈধভাবে আসা বিদেশী গরু চিন্হিত করতে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে এমন এখতিয়ার পরিষদের আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এই এখতিয়ার রাখেন।
এ দিকে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা মোস্তফা বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন। তিনি আরও বলেন, অবৈধ গবাদিপশু চোরাচালান রোধে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

আগেসমুদ্র সৈকতে ১২৬টি কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত
পরেউপজেলা পরিষদে ইউএনওদের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব বাতিলের রায় স্থগিত