
সুজাউদ্দিন রুবেল :
কক্সবাজারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪’শ ছাড়িয়েছে। শুধু গত ১৩ দিনেই বেড়েছে আট’শোর বেশি। চিকিৎসক নেতাদের মতে, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মানায় সংক্রমণের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আর এ জন্য অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতাকেই দুষছেন সচেনতনমহল। তবে কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে বলে আশা জেলা প্রশাসনের।
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পর্যটন এলাকা কক্সবাজার জেলাকে প্রথম লকডাউন ঘোষণা করা হয় গত ৮ এপ্রিল। ১৪ দিন কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর হওয়ায় এপ্রিলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৯ জন। তবে মে মাসে লকডাউনের শিথিলতায় জনসমাগম ও মানুষের অবাধে ঘোরাফেরার কারণে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬শ ১৮ জনে। আর গত ১৩দিনে সেটি ছাড়িয়ে গেছে ১৪শ’র উপরে। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মানায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মত চিকিৎসকদের।
বিএমএ প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার যে কথা ছিল তা কেউ মানেনি। এ কারণেই কক্সবাজারে করোনা রোগী বেড়ে গিয়েছে।
জেলা সদর হাসপাতাল আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীন আব্দুর রহমান বলেন, অন্যান্য যে ভেন্টিলেটরের দরকার ছিল তা এখানে এখনও নেই।
তবে সচেতনমহলের দাবি, অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতার কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, রোগী আক্রান্তের দিক ও ব্যবস্থাপনা উভয়ের সমন্বয়হীনতা না হলে আমরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বো।
তবে জেলা প্রশাসকের আশা, লকডাউন কড়াকড়ির কারণে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জেলায় করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, নাগরিকরা যদি এরকম সাপোর্ট দেয়, আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকে তাহলে হয়ত আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জেলায় করোনা সংক্রমণের হার কমে আসবে।
জেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১৪’শ উপরে। আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ জন রোহিঙ্গাসহ ২৫ জনে।













