কক্সবাজার মাঝিরঘাটে এক কোটি ইয়াবা লুটকারি মিজান বেনাপোলে আটক

0
5

শফিউল্লাহ শফি:

কক্সবাজার শহরের মাঝিরঘাটস্থ বাঁকখালী নদী থেকে খালাসের সময় এক কোটি ইয়াবা লুটের মূল হোতা মিজান ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢোকার পথেই বেনাপোলে আটক হয়েছে।

শুক্রবার রাতে (১৭ জুলাই) ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে বিষয়টি কক্সবাজার জেলা পুলিশকে জানানো হলে রাতেই পুলিশের একটি টিম বেনাপোলের উদ্দেশ্যে রাওনা করে।

জেলা পুলিশের বিশ্বস্থ সূত্রমতে, পুলিশের এই টিমটি সকাল ১০টার দিকে ঢাকা হয়ে যশোর পর্যন্ত পৌছেঁছে।

জানা যায়, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এক কোটি পরিমানের বিশাল একটি ইয়াবার চালান খালাসের সময় লুটকরে শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসি ও ছিনতাইকারি মিজান বাহিনী। একপর্যায়ে চালানটি লুটের পর মিজান ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লুটকৃত ইয়াবা গুলি বেচা-বিক্রি করে।

পরে বিষয়টি কক্সবাজার শহরজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠলে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে মিজান শহরের বিমানবন্দর রোডস্থ একটি যাত্রী পরিবহন যোগে চট্রগ্রাম চলে যায়। ওই সময় চট্রগ্রামের পাঁচলাইশ থানার আশ পাশে মিজান ২০ ফেব্রেুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে ওই দিন রাতেই বিমানযোগে ভারত পালিয়ে যায় ইয়াবা লুটের প্রধান হোতা। পরে মিজানের মোবাইলের সিডিএমএস পর্যাবেক্ষন ও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের সঙ্গে কথা বলে ভারতে পালিয়ের যাওয়ার খবর নিশ্চিত হয় পুলিশ।

এদিকে ইয়াবা লুটকারি দেশ ত্যাগ করলেও কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম, মিজান পূণরায় দেশে ঢোকার সময় আটকের জন্য এবং কক্সবাজার জেলা পুলিশকে অবগত করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ সকল স্থানে লিখিতভাবে অভিযোগ করে রাখেন। দীর্ঘ ৫ মাস পর কোটি ইয়াবা লুটকারি মিজান সড়ক পথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময় শুক্রবার বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে এবং আটকের বিষয়টি কক্সবাজার জেলা পুলিশকে অবগত করে। ইমিগ্রেশন পুলিশের দেয়া তথ্যমতে শুক্রবার রাতেই কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি টিম মিজানকে আনার জন্য বেনাপোলের উদ্দেশ্যে রাওনা দেন। জেলা পুলিশের বিশ্বস্থ সূত্রমতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশের টিমটি যশোর পর্যন্ত পৌছেঁছে।

এদিকে ইয়াবা লুটের পর ওই সময় মিজান পালিয়ে গেলেও তার প্রধান দুই সহযোগি ফিরোজ ও সহোদর মোস্তাককে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে দুই লাখ ইয়াবাসহ আটক করেছিল পুলিশ।

মিজানের আটকের বিষয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন, এক কোটি ইয়াবা লুটকারি মিজান এখনো পুলিশের হাতে আসেনি। যদি কক্সবাজার জেলা পুলিশের হাতে আসে তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে এই মিজান সেই মিজান কিনা। আপনারা যেমন শুনছেন আমিও তেমন শুনতেছি। তবে বিষয়টি জেনেই বিস্তারিত জানাবেন বলেই জানান পুলিশ সুপার।

আগেবাংলাবাজারে পূর্বের হামলা তদন্তে পুলিশ আসায় ফের হামলা
পরেটাকার জন্যই সালেহ খুন, হত্যাকারী টাইরেস গ্রেফতার