সাংবাদিক শফিকের স্ট্যার্টাসে আয়েশার পাশে জেলা প্রশাসক

0
4

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংবাদিক শফিকের স্ট্যার্টাসে আয়েশার পাশে দাড়াঁলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। যিতি কক্সবাজারে এধরনের মানবিক কাজের মধ্যে দিয়ে ভূয়সী প্রসংশা কুড়িয়েছেন এ জনবান্ধব প্রশাসক।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন জানান, সাংাবদিক মোহাম্মদ শফিক তার ফেইবুক ফেইজে আয়েশা নামের এক অসহায় নারীর প্রতিবন্ধী স্বামী ও অবুঝ শিশুদের রিকশা নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করার করুণ ছবিসহ একিট স্যার্টাস দেয়।পরে মুহুর্তে এটি ভাইরাল হলে আমাদের নজরে আসে। আমি খোঁজ খবর নিয়ে এ প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে আমার অফিসে আনায়। তিনি আরো বলেন, আর যেন বৃক্ষাবৃত্তি না করে এ আসহায় পরিবাটিকে আমরা পূনর্ববাসন (দোকানঘর নির্মাণ করে দিবো)। কারণ সরকার এধরনের ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের পূর্নবাসন করতে বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি এধরনের মানবিক ও মহৎ সাংবাদিকতা করায় সাংবাদিক শফিক প্রতি রইলো অসংখ্য ধন্যবাদ।

এ বিষয়ে সাংাবদিক শফিক জানান, গতকাল প্রতিবন্ধী স্বামী ও অবুঝ শিশুসন্তানকে নিয়ে এক অসহায় নারীর রিক্সা চালিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করার কষ্টদায়ক দৃশ্যটি আমার নজরে আসলে মানবিক কারণে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা করি। মুহুর্তেই আমার স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়ে পড়ে। এই স্ট্যাটাসটি অন্য অনেকের মতো মাননীয় জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, এডিসি জেনারেল, এডিসি রাজস্বসহ জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের নজরে আসে। জেলা প্রশাসক মহোদয় আজ অসহায় আয়েশাকে আমার মাধ্যমে ডেকে পাঠান এবং তার দায়িত্ব নিজ কাধে তুলে নেন। তিনি আয়েশার জন্য স্বায়ীভাবে দোকানঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আর টানা ১০ বছর ধরে সাংবাদিকতা করি সেটা আমার কাছে গর্বের না। আমার লেখনির মাধ্যমে দেশ—সমাজের বিন্দু পরিমানণও উপকার করতে পারি এটাই আমার কাছে গর্বের বিষয়।

সাংবাদিক শফিকের সেই স্যার্টাসটি হুবুহ তুলে ধরা হলো————
আয়েশা বেগম। থাকেন হলিডের মোড়। ছোট্ট এক ছেলে,এক মেয়ে ও প্রতিবন্ধী স্বামী মনজুর আলমের চিকিৎসার খরচ ও দুমুঠো অন্ন জোগাতে ভিক্ষার থালি নিয়ে রিকশার প্যাডেল ঘুরিযে় নিজের জীবনের চাকা ঘুরাচ্ছে। ইচ্ছে না থাকলে ও কোন উপায় নেই। তাই একজন নারী হয়েও টানতে হচ্ছে রিক্সার মত কায়িক শ্রমের বাহন।“শরীর বলে থাম এবার, জীবন বলে বাঁচবি কি আর?”
অতচ সরকার নারী অগ্রযাত্রায় ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য অনেক কিছু করছে। তবে সবাই তেলের মাথায় তেল দেয়। এতে বরাবর উপরওয়ালাদের ভাগ্য পরিবর্তন হয় এদেশে। কিন্তু এসব হতদরিদ্র মানুষগুলো জীবন পার করে এভাবেই এদেশে। জীবনের কঠিন একটি মুহুর্ত পার করা এ অসহায় মানুষগুলোর পাশে কে দাঁড়াবে? কার কাছে যাবে তারাঁ???

আগেখুটাখালীতে জমে উঠেছে পশুর হাট, দুঃচিন্তায় খামারীরা!
পরেকিছু জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদ ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ত : উইং কমান্ডার আজিম