
সিবিকেঃ
একদিকে সচেতনতা কমছে। অন্যদিকে বাড়ছে করোনা সংক্রমন। তাতে, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রতিদিনকার প্রায় লাখো পর্যটক আর স্থানীয়দের ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। এমন অবস্থায় সমুদ্র সৈকত, হোটেল রেঁস্তোরা আর পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ১২টি বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা বলছে জেলা প্রশাসন।
দেশের অন্যতম পর্যটন গন্তব্য, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে লোকে লোকারণ্য অবস্থার এমন চিত্র এখন রোজকার। তাতে করোনা নিয়ে নেই কোন উদ্বেগ বা সতর্কতা। এতে বাড়ছে সংক্রমনও।
দীর্ঘ আটমাস লকডাউনের পর গত সেপ্টেম্বরে পর্যটন স্পট খুলে দেয়ার সময় ৬৫টি শর্ত দেয়া হলেও মানা হচ্ছে না এর কোনটিই। হোটেল-মোটেলে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত পর্যটক রাখা, হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা, মাস্ক পরিধান না করার মতো অসচেতনতা বাড়ছেই।
জনসচেতনতা বাড়ানো না গেলে কক্সবাজারে করোনার অবস্থা শোচনীয় হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।
করোনা যেন আবারো ভয়াবহ মাত্রায় না ছড়ায় এজন্য নানা পদক্ষেপের পাশাপাশি সমুদ্র সৈকত, হোটেল রেঁস্তোরা আর পর্যটন সংশ্লিষ্ট স্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ১২টি বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা বলছে জেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংক্রমণ রোধেও বিশেষ নজর দেয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।













