
কক্সবাজার পৌরসভার বর্তমান ও সাবেক ৩ কাউন্সিলরসহ চারজন দুদকের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর দুদক কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন জনের কাছে টাকা চেয়ে ফোন দিচ্ছে প্রতারক চক্র। চক্রটি ইতোমধ্যে কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী নুরুল আলম, গ্রেফতার হওয়া কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ মো. কায়সার নোবেলের স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা দাবী করেছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারি পরিচালক শরীফ উদ্দিন।
তিনি বলেন, শুনেছি আমার নাম ভাঙিয়ে প্রতারক চক্র বিভিন্ন জনকে ফোন দিয়ে টাকা আদায় করার অপচেষ্টা করছে। আমি সুষ্পষ্টভাবে বলতে চাই, দুদক এ ধরনের কোন কাজ করে না। যদি কেউ দুদকের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের অপকর্ম করে তা দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অবহিত করার জন্য বা এ ধরনের প্রতারককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
জানা গেছে, মূলত ০১৭১২৭৪৫৩৯৮ ও ০১৭১৯৭৯৬২৭১ নাম্বার থেকে ফোন করেই টাকা চাইছে প্রতারক চক্র।
এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি বলেন, সন্ধ্যা ৬ টার পর ০১৭১২৭৪৫৩৯৮ নাম্বার থেকে ফোন করে আমাকে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারি পরিচালক শরীফ উদ্দিন পরিচয়ে ফোন দেয় এবং হুমকি দেয় অজ্ঞাত ব্যক্তি। পরে তার পিএস শাহীন পরিচয়ে ০১৭১৯৭৯৬২৭১ নাম্বার থেকে একজন ফোন করে টাকা দাবী করে। আমার বাড়িতে দুদক অভিযান চালাবে বলেও হুমকি দেয়। বিষয়টি আমি তাৎক্ষনিকভাবে দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন সাহেবকে অবহিত করি। তিনি এ ধরনের প্রতারকদের কাছ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। পরে তাঁর কথামতো অজ্ঞাত প্রতারককে কোথায় কখন টাকা দিতে হবে তা জিজ্ঞেস করি এবং সন্ধ্যায় বিকাশে টাকা দেব বলে জানাই। পরে ফোন করা অজ্ঞাত ব্যক্তি বলেন তিনি চট্টগ্রামে আছেন এবং শিগগিরই আমার বাড়িতে অভিযান চালানো হবে বলে হুমকি দেন তিনি।













