নিখোঁজের ৩ দিন পর মিললো টমটম চালকের বস্তাবন্দি লাশ

0
4
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী থেকে নিখোঁজের ৩ দিন পর অর্ধ জবাই করা শাওন (১৩) নামের এক অটো রিকশা ( টমটম) চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাত ৮ টায় ইউনিয়নের ঘোনা পাড়ার গহীন জঙ্গল থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। শাওন রামু উপজেলা গর্জনিয়া এলাকার জাবের আহমেদের ছেলে । তবে সে ছোট বেলা থেকে রামু রশিদ নগর ধলির ছড়া গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে মিনি টমটম চালাতো।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা, নিহত শাওন প্রতিদিনের ন্যায় ১১ আগষ্ট মিনি টমটম নিয়ে বের হয়। কোন সময়ে যাত্রী বেশে তাকে ঘোনা পাড়াস্থ গহীন অরণ্যে নিয়ে যায় ছিনতাইকারী চক্র। সেখানে নিয়ে তাকে জবাই করে বস্তা বেধে ফেলে রাখে। পরে শাওনের কাছ থেকে ছিনতাই করা টমটমটি চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী এলাকায় বিক্রি করতে যায় ​একই এলাকার মহি উদ্দীনের ছেলে চিহ্নিত ছিনতাইকারী মনির নামের এক যুবক। সেখানে মনিরের গতিবিধি সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে৷ এরপর পরিবারে খবর দিলে মনিরের বাবা মহি উদ্দীন স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সিরাজুল হককে সাথে নিয়ে খুটাখালী এলাকা থেকে মুছলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনে৷ বিষয়টি এলাকায় চাউর হলে নিখোঁজ শাওনের স্বজনরা মনিরের বাড়ির আশেপাশের পাহাড়ের সম্ভাব্য স্থানে খোঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে ধানী জমির ওপর খুনি চক্রের চলাচলের অতিরিক্ত পায়ের চিহ্ন দেখতে পেয়ে সন্ধান চালায়। সন্ধানের এক পর্যায়ে পাহাড়ের নিচে জঙ্গলের ভেতর বস্তাবন্দি একটি বস্তু দেখতে পান। তাদের শোর চিৎকারের এলাকাবাসী এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। রাত ৮ টার দিকে কক্সবাজার সদর ও রামু থানার দুইটি পৃথক টিম গহীন অরণ্য থেকে লাশটি উদ্ধার করে। ​এদিকে খবর পেয়ে শাওনের নানার বাড়ি এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা ছিনতাইকা্রী মনিরের বাসায় আগুন লাগিয়ে দেয়।পরে খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
​ ​রশিদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম জানান, নিহত শাওন নিখোঁজের পর তার স্বজদেরকে আইনী পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। শেষ পর্যন্ত লাশ উদ্ধার করেছে। ঘাতক মনিরসহ আরো ৩/৪ জন দুষ্কৃতকারী খুনের সাথে জড়িত।
কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক ( তদন্ত) সেলিম উদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় কাওকে আটক করা সম্ভব হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহারও দেয়া হয়নি এখনো। তবে পুলিশ ছিনতাইকারী চক্রকে সন্দেহ করার সাথে সাথে আরো কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে ঘাতক দলকে আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম ঠিকানা জানানো সম্ভব হচ্ছে না।
আগেদুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল-ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন
পরেটেকনাফে দু’সন্তানের জননীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা