
এম.এ আজিজ রাসেলঃ
“জিয়াউর রহমান-খন্দকার মোশতাক চক্রই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব—পরিবারের নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তারা ছাড়া পৃথিবীর ইতিহাসের বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল না। তাই খুনি মোশতাক ও জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের জন্য একটি বিল পাশের দাবি উত্থাপন করতে হবে। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (১৬ আগস্ট) সকালে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উত্তরণ গৃহায়ণ সমবায় সমিতি লিঃ ও কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
উত্তরণ গৃহায়ণ সমবায় সমিতি লিঃ এর সম্পাদক ও কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক এম.এম সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আবু সুফিয়ান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ—সভাপতি রেজাউল করিম, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ, বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির অধ্যক্ষ ছৈয়দ করিম ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হামিদা তাহের।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না, আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেতাম না, পেতাম না স্বাধীন দেশ। ফাঁসির মুখেও গিয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু দেশ ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির এক অবিসংবাদিত নেতা।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু শোষিত, বঞ্চিত, অসহায় দরিদ্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রাম ও শহরের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতেনবঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীদের নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।
আঞ্জুমনে নওজোয়ান কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বীল বীক্রম নুরুল হক, উত্তরণ গৃহায়ণ সমবায় সমিতির সদস্য নজরুল ইসলাম, বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ওমর ফারুক, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক বিশ^জিত পাল বিশু, সাংবাদিক দীপন শর্মা দিপু ও কবি কামরুল হাসান।
এর আগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৬টায় খতমে কোরআন, খতমে তাহলিল, খতমে খাজেগান, সকাল সাড়ে ৭টায় ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের সদস্য এবং শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে এতিম, দুস্থ ও হাসপাতালের রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।













