
বাঁশখালী সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে টিউবওয়েল পানি পুকুরে পড়া নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আবদুল খালেক কালু (৩৫) ও মো. সোলতান মাহমুদ টিপু (২৫) নামের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। তারা হলেন- আবুল কাশেমের ছেলে কামাল হোসেন (৫০), কাশেম আলীর ছেলে মঞ্জুরুল আলম (৪০) ও মো. বাহাদুর (৩২)। এদের মধ্যে কামাল হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত আবদুল খালেক দক্ষিণ জলদী মনছুরিয়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে ও কামাল হোসেনের ছেলে টিপু।
বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাঁশখালী পৌরসভার দক্ষিণ জলদী মনছুরিয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সঞ্জয় কুমার নাথ। তিনি জানান, হাসপাতালে আনার আগে আবদুল খালেকের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকি দুইজনকে চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে এদের মধ্যে সোলতান মাহমুদ টিপুকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন বলে জানিয়েছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার।
স্থানীয়রা জানান, বাঁশখালী পৌরসভার মনছুরিয়া বাজার এলাকার আবুল কাসেম ও কাসেম আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে অনেকবার সালিশী বৈঠকও হয়েছে। আবুল কাশেমের ছেলে আবদুল খালেক কালু বাড়ির সামনে একটি টিউবওয়েল বসায়। টিউবওয়েলের পানি পুকুরে ফেলা নিয়ে চাচাত ভাই মনজুরুল আলমের সঙ্গে সকাল ১১টার দিকে বাড়িতে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপুর দেড়টার দিকে মনছুরিয়া এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে হয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে আবুল কাশেমের ছেলে আবদুল খালেক কালু ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন, চাচাত-জেঠাত ভাইয়ের মধ্যে বাড়ির সিমানা ও জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। টিউবওয়েলের পানি পুকুরে ফেলাকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেমের ছেলে আবদুল খালেক এবং কাশেম আলীর ছেলে মনজুরুল আলমের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বাঁশখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার জানান, মনছুরিয়া বাজার এলাকায় আবুল কাশেম ও কাশেম আলীর পরিবারের মধ্যে বসতভিটার জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ ছিল। তাদের সালিশী বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।











