খুরুশকুল ব্রিজ ও সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পরিদর্শনে সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ

0
6

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কক্সবাজার পৌরবাসীকে সুপেয় পানি পৌঁছে দেয়ার টার্গেট রয়েছে।
তিনি শুক্রবার কক্সবাজারে ঝিলংজাস্থ রাবারড্যাম সংলগ্ন এলাকায় এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে একথা বলেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক শ্রাবস্তী রায়, ডিপিএইচই এর প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী, পৌরসভা প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্প কর্মকর্তাদের সাথে কাজের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় করেন সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ।
৫টি স্তরে ১২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ২,১৭ একর জায়গার উপর নির্মিত হচ্ছে এই সারফেস ওয়াটার ট্রিটম্যান্ট প্লান্টটি। এটি চালু হলে প্রতি ঘন্টায় ১০ লক্ষ লিটার করে দৈনিক ৮ ঘন্টায় ৮০ লক্ষ লিটার সুপেয় পানি পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়।
এদিকে শনিবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাঁকখালী নদীর উপর নির্মিত কক্সবাজার-খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প সংযোগ ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন  করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
পরিদর্শনকালে সচিব বলেন, খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প সংযোগ ব্রিজটি চালু হলে কক্সবাজার শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বহুমাত্রিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।শহরের পরিধি বেড়ে যাবে।খুরুস্কুলে পরবর্তীতে নির্মিত হবে সরকারিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কার্যালয়। দুই পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান হবে উন্নত।
এ সময় এলজিইডি-র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী চট্টগ্রাম তোফাজ্জল আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব আমিন আল পারভেজ।
এলজিইডি-র নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুর রহমান,, ডিপিএইচই এর প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম খান,নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলামসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রকল্প কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন সচিব হেলালউদ্দিন আহমদ। শহরের কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর উপর প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৯৫ মিটার দৈর্ঘ্য পিসি বক্স গার্ডারের এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যার পঞ্চাশ শতাংশ কাজ শেষ আর বাকি ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেই ব্রীজটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
আগেমহাবিপন্ন প্রজাতির বানর সহ জীববৈচিত্র রক্ষায় মহেশখালীকে সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষনা করুন
পরেঅনিয়মের অভিযোগে সার্বজনীন শ্রীশ্রী কৃষ্ণানন্দধাম কার্যনির্বাহীর দুই সদস্যের পদত্যাগ