পিএমখালীতে ৪ কোটি টাকায় নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদের উদ্বোধন করলেন মেয়র মুজিব

0
9

সিবিকে ডেস্কঃ

সদরের পিএমখালীর জুমছড়িতে অত্যন্ত নয়নাভিরাম ও সুন্দরে মনভোলানো একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাচ্যের ডিজাইন মিশিয়ে আধুনিক নান্দনিক কারুকার্যে অসাধারণ শৈলীতে তৈরি মসজিদটি এতই মনোমুগ্ধকর হয়েছে, যা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন উৎসুক মানুষ। বায়তুর রহমান জামে মসজিদ নামের এই মসজিদটি বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানসহ অতিথিরা ফিতা কেটে মসজিদটির উদ্বোধন করেছেন।
জানা গেছে, জুমছড়ির ফয়জুর রহমানের পুত্র, এলাকার কৃর্তিমান ব্যক্তি সৌদি প্রবাসী ফিরোজ আহমদের একক অর্থায়নে চার কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যন্ত নান্দনিক মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। দুই বছরের মধ্যে তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটি গড়ে উঠেছে।
বিশাল পরিসরের মসজিদটির দুতলা ইতিমধ্যে অত্যন্ত সুন্দররূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। দুই তলাতেই রয়েছে চোখ ধাঁধানো কারুকার্য। তৈরি করা হয়েছে আধুনিক ডিজাইনের মিম্বর। সিলিংও করা হয়েছে অসাধারণ ডিজাইনে। টাইলস দিয়ে মোড়ানো হয়েছে দেয়াল ও ফ্লোর।
মসজিদের বাইরের অংশও সাজানো হয়েছে নানা নানন্দিক সাজে। অজুখানাসহ বাইরের অন্যান্য অংশেও সাজসজ্জার কমতি রাখা হয়নি। মসজিদের ভিতরে ও বাইরে নানা রংয়ের আলোকসজ্জা সব সৌন্দর্য্যকে দিয়েছে পূর্ণরূপ। বায়তুর রহমান মসজিদের এই সৌন্দর্য্য সব মানুষকে মুহূর্তেই বিমোহিত করবে নিঃসন্দেহ!
কক্সবাজার জেলাজুড়ে যে কয়েকটি সুরম্য মসজিদ রয়েছে তার শীর্ষ সারিতে থাকবে বায়তুর রহমান মসজিদ- এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই এই মসজিদটি দেখতে বিভিন্ন এলাকার লোকজন ছুটে আসছেন। দেখতে এসে তারা মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে প্রতিষ্ঠাতার জন্য দোয়া করছেন।
মসজিদটি উদ্বোধন করতে এসে অতিথিরাও অসাধারণ বিমোহিত হয়েছেন। তারা মসজিদটি ঘুরে ঘুরে সৌন্দর্য্য অবলোক করেন এবং নির্মাণশেলীর ভূঁয়সী প্রশংসা করেন। এমন একটি সুন্দর মসজিদ নির্মাণ করার জন্য অতিথিরা প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজ আহমদের প্রশংসা করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন। গতকাল বাদ আসর মসজিদটি ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান ও বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মৌলানা শফিউল হক জিহাদী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আব্বাছ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য মাহমুদুল করিম মাদু,  সমাজসেবক মাহাদুল করিমসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত অতিথিরা বলেন অনেকের হাজার হাজার কোটি টাকা আছে। কিন্তু মসজিদ- মাদরাসা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে পারে না। যারা ঈমানদার তাদের নসিবেই এমন মসজিদ নির্মাণের তওফিক থাকে।
মসজিদের তত্বাবধায়ক বিশিষ্ট সমাজ সেবক মাহমুদুল করিম জানিয়েছেন, মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজ আহমদ সার্বক্ষণিক মোবাইলের ভিডিও কলে পুরো দুইটা বছর নির্মাণ কাজ তদারকি করেছেন। তিনি তার মনের মতো করেই সব কাজ করিয়েছেন। সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তুলতে কোনো ধরণের ঘাটতি রাখতে দেননি।
মসজিদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা আলাল, ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরওয়ার আলম, কক্সবাজার আবুজার আল গিফারী একাডেমির অধ্যক্ষ মোঃ ইউনুছ আলমসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
আগেজায়েদের প্রার্থিতা বাতিল, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ
পরেপ্রদীপ-লিয়াকতকে নেওয়া হলো চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে