বাঁকখালী নদী দখল, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0
5

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারে বাঁকখালী নদী দখল ও প্যারাবন ধ্বংসের ঘটনায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাতে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মাহবুবুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, মহেশখালীর চরপাড়ার মো. ইউসুফ,  মহেশখালী কুতুবজোমের মেহেদিয়াপাড়ার  রুকন উদ্দিন, নেত্রকোনার মৌগাতি চচুয়ার মারাদিঘীর ওমর ফারুক, কক্সবাজার পৌরসভার নুরপাড়ার তায়েফ আহমেদ ও তাইসাদ সাব্বির, গাড়ির মাঠ এলাকার টিপু, ইকরা রিয়েল এস্টেট হাউজিং এর মালিক আমিনুল ইসলাম আমান, খুরুশকুল মনুপাড়ার মোহাম্মদ সেলিম প্রকাশ বার্মায়া সেলিম, কক্সবাজার শহরের হোটেল তাজসেবার মাহবুবুর রহমান, জিসান উদ্দিন, রুমালিয়ারছড়ার ইসমাইল, মধ্যম বাহারছড়ার মো. রানা, লালদীঘির পাড় এলাকার ঝুমা এবং মহেশখালীর শাপলাপুরের দীনেশপুর এলাকার ইকবাল হাসান। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত হিসেবে আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী দখল, ভরাট, প্যারাবনের লাখ লাখ গাছ কাটা ও স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে ভূমিদস্যুরা। এর প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ সভা, বিক্ষোভ, নদী পরিদর্শন, মানববন্ধন করে আসছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। এর প্রেক্ষিতে চাপে পড়ে কিছুদিন আগে একটি মামলা করেছিলো পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু নদী দখল ঠেকানো যায়নি। বরং দখল আরো বেড়েছে।

এক পর্যায়ে কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের মধ্যে দখল-বেদখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এই ঘটনায় টনক নড়ে প্রশাসনের। এর অংশ হিসেবে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘মামলায় কেউ বাদ পড়ে থাকলে পরবর্তীতে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া বাঁকখালীতে পরিবেশ ধ্বংস করলে আরও মামলা দায়ের করা হবে।

আগেমহেশখালীর দুই ইউপির ১টিতে আওয়ামী লীগ ১টিতে স্বতন্ত্রের জয়
পরেরামুর জোয়ারিয়ানালা এইচ.এম সাঁচি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত