বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখলেন পর্যটকরা

0
15

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখেছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনেরও সমাগম ছিল লক্ষণীয়। বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে এতো মানুষের সমাগম হলেও প্রতিবারের মতো এবারও কোনো বিশেষ উৎসব নেই। তবে সাগর পাড়ে অবস্থান করা যাবে রাতেও।

শনিবার বিকেল থেকেই সমুদ্র সৈকতে ভিড় জমাতে থাকেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকরা। বিকেল গড়াতে গড়াতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকে সৈকতে।

বিকেলে সৈকতে ঘুরে দেখা গেছে, আগত পর্যটকরা বিকাল থেকে সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী কলাতলী পয়েন্ট বিপুলা পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন। সূর্যাস্তের সময় ঘনিয়ে আসতেই সবাই সমুদ্র সৈকতের কিনারে গিয়ে সূর্যাস্ত অবলোকন করেন। তারা বছরে শেষ সূর্যাস্তকে স্মৃতি হিসেবে রাখতে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।

নাজমুল হাসান নামে এক পর্যটক বলেন, বছরের শেষ সূযাস্ত দেখে আমাদের ভালো লাগছে। তবে সৈকতজুড়ে কোন আয়োজন না থাকলে উৎসবমুখর ভ্রমণ হতো।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিবারের মতো এবারও থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে হোটেল-মোটেল ছাড়াও সমুদ্র সৈকতসহ আউটডোরে বিভিন্ন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করায় পর্যটন শিল্পে একটি বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এতে আগ্রহ থাকলেও শেষ মুহূর্তে অনেক পর্যটক বেড়াতে আসেনি। তারপরও লাখো পর্যটক কক্সবাজারে অবস্থান করছে। এছাড়া বর্ষ বিদায় ও নতুন বছরে বরণে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বহু দর্শনার্থী সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসেছেন।

জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থার্টিফার্স্ট নাইটের অংশ হিসেবে সমুদ্র সৈকত বা কোনো উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরণের জমায়েত, অনুষ্ঠান, আতশবাজি,  গানবাজনা বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান বা আয়োজন করা যাবে না। তারপরও পর্যটকসহ দর্শনার্থীদের উপভোগের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো আয়োজন করতে না পারলেও সারারাত সমুদ্র সৈকতসহ আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করা যাবে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, সমুদ্র সৈকতে কোনো আয়োজন না থাকলে অনেক পর্যটক ও দর্শানার্থী বিচরণ করছে। সারারাত অবস্থানও কোনো বাধা নেই। তাই সারারাত সমুদ্র সৈকতে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পর্যটকরা নির্বিঘ্নে অবস্থান করতে পারবে।

প্রতিবছরর বছরে শেষ দিনের সূর্যকে বিদায় জানাতে এবং নতুন বছরকে বরণ করতে কয়েক লাখ পর্যটক ছুটে আসেন কক্সবাজারে। তাই সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টকে সাজানো হয় নতুন সাজে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও নানা কারণে এবার পর্যটকের উপস্থিতি এবার প্রতিবারের মতো পর্যটক আসেনি।

আগেনববর্ষ বরণের নামে সকল বেহায়াপনা রুখতে হবে: রামুতে ইসলামী মহাসম্মেলনে বক্তারা
পরেআবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল