
নিজস্ব প্রতিনিধি:
অত্যন্ত উৎসাহ, উদ্দিপনায় কক্সবাজার পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান “অংকুর কিন্ডার গার্টেন” স্কুল এর বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উৎযাপিত হয়েছে। শনিবার (১২ফেব্রুয়ারী) সকালের দিকে বিদ্যালয়ের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার কমিটির সভাপতি ও জেলার পরিচালক বোরহান উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ শাহ্ জামান এর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ, প্রফেসর জনাব মোঃ গিয়াম উদ্দিন।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কমার্শিয়াল উদ্দেশ্যে নয়, শিক্ষক হিসেবে সামাজিক দায়িবদ্ধতা থেকে এবং অত্র এলাকার কোমলমতি ছেলে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যেটি সম্পূর্ণ একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তবে কষ্ট হয় নার্সারী থেকে কোমলমতি এই ছেলে মেয়েগুলো আমাদের শিক্ষা ও শিক্ষিকারা উপযুক্ত করে তুলার পর একটি পর্যায়ে অভিভাবকরা যখন তাদের অন্যত্রে নিয়ে যায়”। এসময় তিনি আরও বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
এসময় অত্র বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার কমিটির সভাপতি বোরহান উদ্দিন আহমদ চৌধুরীও বিদ্যালয়টির ভবিষ্যত পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। পরে অভিভাবক মোহাম্মদ শফিক (সিনিয়র সাংবাদিক)সহ অন্যান্য অভিভাবকরা স্কুলের মাসিক ফি, নতুন ও পুরাতন ভর্তি ফি, ক্লাস উক্তীর্ণ ফি নীয়ম-নীতির মধ্যেই রাখা এবং বিদ্যলায়টির অবকাটামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মুক্তিযোদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে ছাত্র-ছাত্রীদের আলাদা ক্লাস নেওয়ারও পরার্মশ দেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা দায়রা ও জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবি ও অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক জনাব, আখতার উদ্দিন হেলালী, সহ-সভাপতি শাহাব উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং পরিচালকদের মধ্যে যতাক্রমে সালাউদ্দিন, এম মোজাম্মেল হক, এইচ এস. এম. শাহাদত হোছাইন, আজমল হুদা, মঈন উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মৌলানা নূরুল হুদা প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহ্ জামান। অতিথিদের মূল্যবান বক্তব্য শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের- মাঝে পুরস্কার তুলে দেন উপস্থিতরা।
তবে প্রতিবছরের চেয়ে এবারে প্রতিযোগিতার বিষয় ছিলো খুবই বৈচিত্রপূর্ণ। প্রায় দশটিরও বেশি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বিভিন্ন রকমের দৌড়, লাফ, লৌহগোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, চামচ দৌড়, দ্রুদ হাঁটা এবং ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক পৃথক বিষয় নির্ধারিত ছিলো। যেমন খুশি তেমন সাজো, আমন্ত্রিত অভিভাবকদের জন্য বালিশ খেলা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অন্য কর্মচারীদের জন্যও ছিলো প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা।













