ইসলামপুরে বন কর্মকর্তাদের নামে ঘু*ষ নিয়ে প্রত্যাহার হলেন ফরেস্ট গার্ড, বদলী ঠেকাতে মরিয়া

0
10

 

শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, ঈদগাঁও

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ফুলছড়ি রেঞ্জের নাপিত খালি বিট অফিসের আনিছুর রহমান নামের এক ফরেস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ইব্রাহিম খলিল নামের অপর ভুক্তভোগী। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড আনিছুর রহমানকে বিট কার্যালয় থেকে ক্লোজ করে ফুলছড়ি রেঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড নাপিত খালি বিট অফিসের ফরেস্ট গার্ড হিসেবে দায়িত্বে ছিল।
এদিকে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত ও বদলী ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আনিছুর রহমান।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আনিছুর রহমান মাস দুয়েক আগে নাপিত খালি বিটে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে বন বিভাগের জমি দখলদার, ,বালি,পাহাড় খেকো,গাছ পাচার সিন্ডিকেট, জবর দখলকারীদের কাছ দৈনিক চাঁদা আদায় করতো। সম্প্রতি পূর্ব নাপিত খালি এলাকার ছৈয়দ আহমেদের ছেলে ইব্রাহিম খলিল তার বসতবাড়ি করতে গেলে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন আনিছুর রহমান। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতা এনে উচ্ছেদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।ইব্রাহিম খলিল অভিযোগ করে বলেন,মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে বসতবাড়ি করতে চাইলে অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড আনিছুর রহমান পূনরায় তার কাছে এসে বিট কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে ২২ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।পরে বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে একদল বন প্রহরী ভুক্তভোগী ইব্রাহিম খলিলের বাড়ি উচ্ছেদ করতে গেলে ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি জানাজানি হয়৷ এক পর্যায়ে বিট কর্মকর্তা সাইফুর রহমান উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করলে অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড আনিছুর রহমানকে প্রত্যাহার করে ফুুুলছড়ি রেঞ্জে নিয়ে যায়।সে থেকে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত এবং বদলী ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আনিছুর রহমান। স্থানীয়রা অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড আনিছুর রহমানকে প্রত্যাহারের দাবি জানান ।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফরেস্ট গার্ড আনিছুর রহমান বলেন, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার অনৈতিক কর্মকান্ডে বাধা দেওয়ায় সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবি করেন।
নাপিত খালি বিট কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে নাপিত খালি বিট থেকে সরিয়ে নিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের এসিএফ প্রান্তোষ রায় বলেন, অভিযোগ দিয়েছে বলে খবর পেয়েছি, কিন্তু অফিসে অভিযোগের কপি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তিনি অবগত আছেন জানিয়ে আরো বলেন, ঘটনাটি তদন্তধীন রয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

আগেঈদগাঁওতে এক সন্তানের জননীর লা*শ উদ্ধার
পরেইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ধারণ করে ঢাকায় বর্ণাঢ্য ‘রামু উৎসব’ উদযাপন