
ইমাম খাইর,
একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের আলো ও সফল নেতৃত্বের মডেল ছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম জিএম রহিমুল্লাহ। শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি সার্থক। লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে জীবন কাটিয়েছেন, জনপ্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিএম রহিমুল্লাহ ছিলেন একজন জীবন্ত আউলিয়া। আগামী শত বছরেও তার শূন্যতা পূরণ হবে কিনা, সন্দিহান।
জিএম রহিমুল্লাহর স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তৃতায় কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক কক্সবাজারের কলাতলীর কৃতি সন্তান ডঃ হাসমত আলী।
জিএম রহিমুল্লাহ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকালে ভারুয়াখালী বাজার সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডঃ হাসমত আলী বলেন, জিএম রহিমুল্লাহকে শুধুমাত্র একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশ্লেষণ করি না। মানুষ হিসাবে তিনি সফল, মুসলমান হিসেবে সার্থক। তার পুরো জীবনটা গেছে কোরআনের পথে, মানবতার উপকারে। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশাসক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেমন ছিলেন কঠোর, সত্যেরে পক্ষে তেমন নিবেদিত। একজন উঁচু মাপের নেতা হয়েও জীবনের অভাব বুঝতে দেননি কাউকে। মরহুম জিএম রহিমুল্লাহ শুধু কক্সবাজারের নয়, পুরো বাংলাদেশের গৌরব। অধ্যাপক হাসমত আলী বলেন, জিএম রহিমুল্লাহ একটি রাজনৈতিক দল করলেও ছিলেন সার্বজনীন। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি কাজ করতেন। সেজন্য তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিলেন।
জিএম রহিমুল্লাহ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মোঃ নেজামুল হকের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল বশর, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহীদুল আলম বাহাদুর, ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার, ভারুয়াখালী এসোসিয়েশানের সভাপতি ডাঃ মনজুর আলম আযাদ, কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন) এর বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর।













