সমুদ্র বন্দরের নাম হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর’

0
47

কক্সবাজার খবর ডেস্কঃ
মহেশখালীতে নির্মাণাধীন সমুদ্র বন্দরের নাম করণ বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সমুদ্র বন্দর করতে প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদ দিলেই নামটি চুড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। এ ছাড়া মেগা প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত এনজিওদের নানা জঠিলতার কারণে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। শ্রমিকদের ক্ষতিপুরণের টাকা প্রদানে মালিক পক্ষের প্রত্যয়ন আর প্রয়োজন হবে না। গতকাল বেলা ১২ টায় মহেশখালী-মাতারবাড়ির অবকাঠামো উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অগ্রাধীকার প্রকল্পে কেউ গাফিলাতি করলে তা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দেশের উন্নয়নের জন্য তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের সকলেই যাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ক্ষতিপুরণের আওতায় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কারো অবহেলায় যাতে কোন শ্রমিক ক্ষতিপুরণ থেকে বাদ না যায় তাও খতিয়ে দেখতে হবে। এতে দায়িত্বরত এনজিওকে আরো দায়িত্বশীল ভুমিকা রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন মহেশখালীর উত্তর প্রান্তে যে একটি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে। বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডঃ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহেশখালীর মানুষ অপরদিকে কাজ করছে অন্য এলাকার মানুষ। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারাই কাজ করবে এটিই আমরা চাই। যারা বিভিন্ন করছে তারা বিভিন্ন কৌশলে স্থানীয়দের বঞ্চিত করতে নানা তালবাহানা করে। প্রকল্প এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আরো কঠোর হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন এলাকার সামাজিক অবস্থায় যাতে কোন প্রভাব না পড়ে সেদিকেই নজর রাখতে হবে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের তালিকা অনুযায়ি ১০৪৯ জন শ্রমিকের মধ্যে মাত্র ২৭৯ জন শ্রমিক এককালীন ক্ষতিপুরণ পেয়েছে। এতে ধীর গতির কারণে নির্ভরশীল শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। প্রকল্প থেকে উচ্ছেদকৃত ৫০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও অদ্যবদি মাত্র ১০টি নির্মিত হয়েছে। ৪৮টি পরিবারের প্রতি একজনকে চাকরি দেওয়ার কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়নি। এ ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পকে আমরা স্বাগত জানাই। এতে যাতে সামাজিক অবক্ষয় না হয় সেদিকেও নজর রাখতে হবে। স্থানীয়দের চাকরি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে।
সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল কালাম জানিয়েছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সকল বিভাগকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। এতে যাদের গাফিলাতি থাকবে তাদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক বরাবরে পত্র প্রেরণ করা হবে।
সভা উস্থাপনা করেন অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক রাজস্ব আশরাফুল আশরাফ। বক্তব্য রাখেন কোল পাওয়ার জেনরেশনের পিটি নজরুল ইসলাম, মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শরীফ বাদশা, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামিরুল ইসলাম, ধলঘাটার চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, মাতারবাড়ির চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ উল্লাহ। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কোল পাওয়ার জেনারেশনের প্রকৌশলী, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, এলজিইডি, সড়ক বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ভুমি অধিগ্রহন শাখার কর্মকর্তা ও এনজিও সংস্থা সুশীলনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সুত্রঃদৈনিক কক্সবাজার

আগেকক্সবাজার বেতার কেন্দ্রের আরডি মাহফুজের কোটি টাকার দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা
পরেসেই সাধনা করেছেন ৩ বিয়ে, বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরক তথ্য