দীপক শর্মা দীপুঃ
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রতিদিন বেশিরভাগ সময় লিফট বন্ধ থাকে। এতে আহত,পঙ্গু ও মুমূর্ষু রোগিদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। এভাবে যখন তখন লিফট বন্ধ থাকলেও হাসপাতালের খোদ তত্বাবধায়কের ক্ষমতা নেই এই লিফট চালু করার।
সরেজমিনে জানা যায়, ৩১ আগষ্ট সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত লিফট বন্ধ থাকে। এসময় একজন পঙ্গু রোগি ও মূর্মষূ ৬/৭ জন রোগী লিফটের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে।
অন্য অনেক রোগিদের কষ্ট করে উপরের তলায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ হলেও এসব রোগিদের অবস্থার কারনে লিফট ব্যতিত উপরে তোলা সম্ভব হয়নি। তাই রোগীর স্বজনরা আহাজারি করলেও লিফট চালু করার জন্য কেউ আসেননি।
এমন অবস্থায় হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: মো: মহিউদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লিফট পরিচালনা আমাদের নিয়ন্ত্রনে নেই। লিফট ও লিফটম্যান পরিচালনা করেন কক্সবাজার গণপুর্ত বিভাগ। তিনি গণপুর্তের ইঞ্জিনিয়ার রিটন চাকমার সাথে কথা বলতে বলেন।
ইঞ্জিনিয়ার রিটন চাকমা জানান, লিফটম্যানের বেতন গণপূর্ত দেয়। কিন্তু তাদের গণপূর্ত পরিচালনা করেননা। তিনি এই বিষয়ে লিফট বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সরওয়ারের সাথে কথা বলতে বলেন।
ম্যানেজার সরওয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দেখি এর সমাধান করা যায় কিনা।
সর্বশেষ হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল মোবাইল ফোন রিসিভ না করাই তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
টানা দীর্ঘ ৫ ঘন্টা লিফট চালু না থাকার কারনে স্বজনরা মূর্মষূ রোগিদের কোলে কাঁধে করে সিঁড়ি বেয়ে ৫ তলায় নিয়ে যান।
আবার অনেকে উপরের তলা থেকে রোগিদের কাঁধে করে নিচে নামিয়ে আাসেন। অনেকে হুইল চেয়ার ও ট্রলি করে রোগি উপরে – নিচে আনা নেয়া করে।
লিফটম্যানদের নিয়ন্ত্রনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়িত্বে না থাকার কারনে এমন বিশৃংখলা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: নোবেল কুমার বড়য়া।
এদিকে ভুক্তভোগিরা হাসপাতালের এমন সমস্যার দ্রুত সমাধান দাবি করেন।সুত্রঃকক্সবাংলা













