শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে রদবদল

0
45

সাম্প্রতিক শরণার্থী সঙ্কটের সূচনার দুই বছর পূর্তিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে রদবদল এনেছে সরকার।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের পদ থেকে অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালামকে সরিয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সেই সঙ্গে বিভিন্ন ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা তিন কর্মকর্তাকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় থেকে বদলি করা হয়েছে। সেই জায়গায় পাঠানো হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে থাকা দুই কর্মকর্তাকে।
এদিকে উখিয়ার কুতুপালং ৩, ৪, বর্ধিত-৪ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ উপসচিব শামিমুল হক পাভেলকে বদলি করা হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের উপ-পরিচালক হিসেবে।
টেকনাফের নয়াপাড়া ১৩ ও ১৯ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ সিনিয়র সহকারী সচিব আবদুল ওয়াহাব রাশেদকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতাধীন মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্পের উপ-পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

কুতুপালং ক্যাম্পের সহকারী ক্যাম্প ইনচার্য সহকারী সচিব জনাব জাহাঈীর আলমকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় থেকে সরিয়ে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

রোববার এই তিন পদে বদলির আদেশ দেওয়ার পর সোমবার উপসচিব খলিলুর রহমান খান ও সিনিয়র সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত ) মো. আহসান হাবিবকে বদলি করা হয়েছে কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে। তারা দুজনেই ওএসডি হয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন।

এই পদগুলোতে কেন একসঙ্গে রদবদল আনা হল, সে বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণায় কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। আর কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা একে ‘রুটিন’ বদলি হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।

তবে এবারের রোহিঙ্গা সঙ্কটের সূচনার দুই বছর পূর্তিতে ২৫ অগাস্ট উখিয়ার কুতুপালং মধুছড়া বর্ধিত-৪ নম্বর ক্যাম্পের মাঠে হাজার হাজার রোহিঙ্গার সমাবেশ শরণার্থী ব্যবস্থাপনা ও এনজিও কার্যক্রম নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দেয়।

তার তিন দিন আগে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর দ্বিতীয় দফা চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায় মিয়ানমার সরকারের বিষয়ে নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর আস্থার সঙ্কটের কারণে।

সরকারের তরফ থেকে তখন বলা হয়, দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার ফিরতে নিরুৎসাহিত করছে। এর মধ্যে মধুছড়া ক্যাম্প মাঠের বিশাল সমাবেশে রোহিঙ্গাদের অনেকের হাতে ধারালো অস্ত্র দেখা বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়।
সূত্র -বিডিনিউজ২৪ডট কম

আগেরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: চীন যাচ্ছেন আ.লীগের ২০ প্রতিনিধি
পরেভারতকে ১২৫ গ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমার হুমকি পাকিস্তানের