জাকের উল্লাহ, চকরিয়া:
এশিয়ার বৃহত্তর সমবায় প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার “বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি’র নির্বাচন আগামী কাল ২৮ সেপ্টেম্বর। এ সমিতির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি থেকে বার্ষিক আয় হয় ৫ কোটি টাকা। সমিতির সাবেক একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিবছর সমিতির সভ্যদের মাঝে বন্টন করা হয় ১ কোটি টাকা। সমিতি পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে বেতন ভাতাসহ খরচ হয় বছরে ৫০ লাখ টাকা। বাকি টাকা গুলো কোন খাতে কি পরিমান ব্যয় হয় তা সমিতির পরিচালনা পর্যদের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ছাড়া আর কেউ জানেন না। অডিট রির্পোটে প্রতিবছর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে তা হালাল করা হয়।
এ সমিতির পরিচালনা পর্যদের একবার বিজয়ী হতে পারলে তার সংসারে আর কোন অভাব অনটন থাকেনা। এটা পূর্বদিকে সূর্য্য ঊদয়ের মত সত্য কথা।
গতকাল বদরখালীর আমার পরিচিত একজন সিএনজি চালকের সাথে আলাপ করছিলাম, সভাপতি ও সম্পাদক পদে কাদের বিজয়ের সম্ভবনা রয়েছে। তিনি বললেন, স্যার আপনি সাংবাদিক মানুষ। আমার চাইতে আপনারা খবর জানেন বেশী। সে অতীতের ভোটের কথা উল্লেখ করে বলে গত নির্বাচনে আমি বিভিন্ন প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোট দেয়ার প্রত্যাশায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করেছিলাম। এবারও যারা ভোটারদের মাঝে টাকা বিলাতে পারে তারাই বিজয়ী হবে। এখানে ভোট উপলক্ষে প্রার্থীদের কাছ থেকে যা পাওয়া যায় তাই লাভ। পরে বিজয়ী প্রার্থীদের সাথে কোন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হলে তারা টাকা ছাড়া ভোটারদের কোন কথাই শোনেন না। সমিতির নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের জন্য এটি হচ্ছে সোনার ডিম পাড়ার একটি চেয়ার। তাই ভোটাররা সুযোগে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মুলত লড়াই হবে নুরুল আলম সিকদার ও দেলোয়ার হোছাইনের মধ্যে। সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন, আলী মোহাম্মদ কাজল, আনছারুল করিম। সাধারণ সম্পাদক পদে মুলত লড়াই হবে মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, নুরুল আমিন জনি। সদস্য পদে অনেকে লড়ছেন।













