ধেয়ে আসছে বুলবুল, বন্দরে সতর্কতা

0
7

কক্সবাজার খবর ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছে একটি লঘুচাপ দানা বেঁধে গভীর হতে চলেছে।বুধবার রাতের দিকে সেটি পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। এর নামকরণ করা হতে পারে ‘বুলবুল’।এর প্রভাবে শুক্রবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তাল হবে সমুদ্র।

আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন জানান, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি মঙ্গলবার সামান্য পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

সন্ধ্যা ৬টায় নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে; কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে; মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।

ওই সময় নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, “এখনও এটি নিম্নচাপের আকারে আছে। আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ হবে। এরপর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এলেই সতর্ক সংকেত বাড়ানো হতে পারে। সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে।”

আবহাওয়া দপ্তর আইএমডি আরো জানিয়েছে, লঘুচাপটি দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর আন্দামান সাগরে অবস্থান করে ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর প্রথমে সেটি পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এবং পরে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে। আপাতত সেটির পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন ওড়িশা ও বাংলাদেশের দিকে এগোনোর আশঙ্কা রয়েছে। তবে ঠিক কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণ করা যাবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর।

দিল্লির মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর সাগরের ওপর যত বেশি সময় থাকবে ততই লঘুচাপটির শক্তি বাড়বে। শুক্রবার উপকূলের দিকে এগুনোর সময় ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ঘূর্ণন গতি হতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার।

আগেটেকনাফে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১
পরেএবার বিএনপি ছাড়লেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান