শহরে পেরেতা মনজুরের প্রাণনাশের হুমকীতে নিরাপত্তহীনতায় ব্যবসায়ী

0
7

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
শহরের বহুল আলোচিত ও নানা অপকর্মের হোতা পেরেতা মনজুর কর্তৃক নাছির উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকী-ধমকীতে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে অসহায় ওই ব্যবসায়ী। জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে ব্যবসায়ী নাছির সদর মডেল থানায় ২ বার সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সর্বশেষ ব্যবসায়ী নাছির গত ১৭ অক্টেবর সদর থানায় আরও একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। যার নং-১০১১।

 

 

অভিযোগ সুত্র জানা যায়, নাছির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে হোটেল মোটেল জোনে রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক হোটেল ব্যবসা করে আসছে। পর্যটন শিল্প বিকাশে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কিন্তু সম্প্রতি তার কষ্টে অর্জিত সম্পত্তির প্রতি শহরের বিভিন্ন অপকর্মের হোতা পানবাজার রোডের সুলতান আহমদের পুত্র মনজুর আলম প্রকাশ পেরেতা মনজুরের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। যার অংশ হিসেবে সে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ী নাছিরকে প্রাণে মারতে পেরেতা মনজুর ৬ লাখ টাকায় ভাড়া করেছে সন্ত্রাসী বাহিনী। সে ওই সন্ত্রাসীদের সাথে স্ট্যাম্পমূলে চুক্তিবদ্ধও হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ী নাছিরের বিরুদ্ধে পেরেতা মনজুর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে মিথ্যা অভিযোগ দেন। তবে সেসব মন্ত্রণালয় উল্টো পেরেতা মনজুরের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দেন। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কোন স্থানে প্রশ্রয় না পেয়ে বর্তমানে ব্যবসায়ী নাছির ও তার পরিবারের ক্ষতি করতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পেরেতা মনজুর নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। মামলা গুলোর নং হলো-সদর থানা জিআর-৬২৮/০৯, জিআর-৫/০৬, জিআর-৫৬/৭১১, জিআর-৩৩৩/১৬, জিআর-১১/৯৬১, বান্দরবান সদর থানার জিআর-৩/৪০। এসব ছাড়াও আরও ৪/৫টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জেল কেটেছে অসংখ্যবার। বরাবরের মতো জেল থেকে ফিরে সে পুনরায় নানা অপকর্ম করে বেড়ায়। সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে লোপে নেয় তার ব্যক্তিগত স্বার্থ। ওইসব মিথ্যা মামলায় বাদী করা হয় তার স্ত্রীদের। বর্তমানে তার ৮জন স্ত্রীর মধ্যে রয়েছে ৪জন। তাদের সে মামলায় বাদি করে মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, পেরেতা মনজুর ওপর থেকে বেশ সাধু সাজে। কিন্তু তার আসল চেহারা ফুটে উঠে ধীরে ধীরে। পুলিশ-প্রশাসনও তার চরিত্র সম্পর্কে জ্ঞাত। তার আত্মীয়-স্বজনরা জানায়, অনেক সহজ-সরল মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে ওই পেরেতা মনজুর। এ জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার রয়েছে দালাল সিন্ডিকেট। তাদের মাধ্যমে সাধারণ মেয়েদের ফুসলিয়ে বিয়ে করে পরে তার অত্যাচারে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয় তারা। এতে নষ্ট হয়ে যায় ওইসব মেয়েদের জীবন। বর্তমানে তার স্ত্রীদের মধ্যে রয়েছে রাজিয়া, হালিমা, মুকারমা ও রুবি। এরাও তার অত্যাচারে অতিষ্ট বলে খবর পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার সম্পত্তি আত্মসাত করার জন্য মনজুর আলম প্রকাশ পেরেতা মনজুর ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতেছে। ইতোমধ্যে আমাকে মেরে ফেলার জন্য সে সন্ত্রাসী ভাড়া করেছে। তার একজন স্ত্রীকে বাদি বানিয়ে অন্য ৩জন স্ত্রীকে স্বাক্ষী বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে আদালতে ৪টি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ওইসব মামলা মিথ্যা বুঝতে পেরে প্রত্যেকটা মামলার রিপোর্ট আমার পক্ষে দিয়েছেন। তাই মামলা দিয়ে কিছু করতে না পেরে বর্তমানে আমাকে জানে মারার অপচেষ্টা চালাচ্ছে সে। এ অবস্থায় আমি নিজের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি বহু অপকর্মের হোতা পেরেতা মনজুর ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে আইনের আওতায় কঠোর শাস্তি দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ সুপারের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

 

 

 

আগেভুড়িওয়ালা ছেলে বেশি পছন্দ করে মেয়েরা
পরেঈদগাঁওতে সাবেক ছাত্রনেতা হিরুর ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত