সংস্কারের পর পরই উঠে যাচ্ছে নাইক্ষ্যংছড়ি- চাকঢালা সড়কের কার্পেটিং

0
4

 

জাহাঙ্গীর অালম কাজল, নাইক্ষ্যংছড়ি 
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে প্রশাসনের মাঝখান দিয়ে শুরু হওয়া নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কের ব্যাপক অনিয়মের কারণে এক মাসও দীর্ঘ হয়নি সংস্কার কাজ। কাজে নিম্ম মানের ভিটামিন ব্যবহার, আবর্জনাযুক্ত পাহাড়ী বালু ব্যবহার এবং বৃষ্টিতে ময়লা আবর্জনার উপরে এই সংস্কার কাজ করায় বর্তমানে এক মাসের ব্যবধানে সড়কটি ছোট-বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে নিম্ম মানের ইটের গুড়া দিয়ে পাতলা ভিটামিনযুক্ত পিচ ঢালাইয়ের কারণে এসব সমস্যা হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এই সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়ে ব্যবসায়ী, টমটম চালক, রিকসা চালক সহ অনেকেই অভিযোগ করেও কাজ বন্ধ করেনি ঠিকাদার। বৃষ্টি চলাকালীন সময়েও কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন তারা। এ সময় ব্যবসায়ী সহ অনেকে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কাছে কাজ না করার দাবী জানালেও তারা ঠিকাদারের দোহায় দিয়ে কাজ চালিয়েছেন। খোজ নিয়ে জানা যায়, বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নাইক্ষ্যংছড়ি-চাকঢালা সড়কের ২০ লক্ষ টাকার এ কাজটি পায় ইউনুছ এন্ড ব্রাদার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। যাহার তত্ত¡াবধায়নে ছিলেন সাইফুদ্দিন হারুন। দেখাশুনা করেছেন আবু হান্নান। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, থানার মোড় থেকে শুরু হওয়া এই রাস্তাটি দশ গজও গর্ত ছাড়া নেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চালক শ্রমিক সহ অনেকে এই ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, উপজেলা সদরের এমন নিম্মমানের কাজটি দেখলে স্বয়ং ঠিকাদাররাও লজ্জিত হবেন বলে মনে হয়। নিম্ম মানের কাজের বিষয়ে বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমদ জানান, নিম্মমানের কাজের বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি খোজ খবর নিবেন বলে জানান।
সংবাদ প্রেরক

আগেরামুর মিঠাছড়িতে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন, ভাঙ্গন ঝুঁকিতে হাজারো পরিবার
পরেপিতা-পুত্র, শ্বশুর-শ্যালক সবাই ‘গরু চোর’! আছে পাকা বাড়ি, প্রাইভেটকার