
ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়াঃ
উখিয়া উপজেলার কোটবাজার স্টেশন থেকে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোর রত্নাপালং ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়ার বশির আহমদের ছেলে ফোরকান(১৪) প্রকাশ কালু। রবিবার(১০ই জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, কোটবাজার দক্ষিণ স্টেশনের শাহ আলম ডেকোরেশনে জবাই করা অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিক উখিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে হত্যার কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চালান। দুপুর ১২টার দিকে পিবিআই ও সিআইডি ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, ঘাতক রোহিঙ্গা ও স্থানীয় ফোরকান প্রকাশ কালু দুজনই শাহ আলমের ডেকোরেশনের কর্মচারী ছিলো। একসাথে তারা দুইজন রাতে ঐ দোকানে থাকতো বলে জানান তারা।
নিহত ফোরকানের বড়ভাই বুরহান জানান, আমার ছোটভাই ২-৩মাস আগে ডেকোরেশনের দোকানে যোগ দেয়। গত ৩-৪দিন আগে রোহিঙ্গা কর্মচারী আয়াছ একই দোকানে কর্মচারী হিসেবে যোগ দেয়।
ডেকোরেশনের মালিক শাহ আলম জানান, রোহিঙ্গা আয়াছ ও স্থানীয় ফোরকানকে রাতে দোকানে রেখে যায়। পরদিন সকালে ফোরকান প্রকাশ কালুর মরদেহ দেখতে পান বলে জানান তিনি।
নিহতের বাবা বশির জানান,দোকানে আমার ছেলে কর্মচারী হিসেবে ছিলো। দোকানে কি ঘটছে না ঘটছে সেটা দোকান মালিক জানবে বলে জানান তিনি।
পিবিআই এর এসপি ও উখিয়া থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সনজুর মোর্শেদ জানান, দোকানের মালিক শাহ আলমকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
তবে ঘাতক রোহিঙ্গা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আরও জানা যায়,তারা রাত্রিয়াপন করতো ঐ দোকানে। ফোরকানের হত্যার বিচার দাবি করেন নিহতের পরিবারসহ স্থানীয়রা।
এদিকে,কিশোর ফোরকানের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একইদিন এশার নামাজের পর রত্নাপালং বায়তুশ শরফ মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযার নামাজ শেষে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।












