
আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও
কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদের গজালিয়া সড়কে খানাখন্দক, ধুলাবালিতে অতিষ্ট হয়ে উঠে জনজীবন। যাতে করে, পথচারীসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ সড়ক দিয়ে চলাফেরা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সড়কটি বর্তমানেও সংস্কার বিহীন পড়ে রয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, ইসলামাবাদ শাহ ফকির বাজার গজালিয়া সড়কটি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।সড়ক দিয়ে রাজঘাট,পশ্চিম গজালিয়া,মিয়াজী বাজার,মধ্যম গজালিয়া,বাবু বাজার,সাত ঘড়িয়া পাড়া, গজালিয়া, চরপাড়া, মঞ্জিলমুরা এলাকার লোকজন প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে থাকে। এই সব এলাকার লোকজনের চলাচলে আর কোন বিকল্প সড়ক নেই বললেই চলে। এটির উপর নির্ভরশীল তারা।
সড়কটি সংস্কারের নামে দীর্ঘমাস পূর্বে সড়কে থাকা ব্রীক ও মাটি সড়ক থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। এমন অবস্থায় সড়কে ডাম্পারসহ গাড়ি চলাচলের কারনে নানা স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে জন ও যানবাহন চলাফেরায় নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে।
অন্যদিকে সড়ক ভেঙ্গে ধুলাবালি সৃষ্টির কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন এলাকার সর্বশ্রেনী পেশার মানুষরা।
স্থানীয়দের মতে, উক্ত গ্রামীন সড়কে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। ভারী যানবাহন চলাচলে সড়ক ভেঙ্গে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এসব যেন দেখার কেউ নেই। দ্রুত সড়ক সংস্কারের জোর দাবী জানান এলাকার সচেতন লোকজন।
ইসলামাবাদের গজালিয়া থেকে ৩ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে ঈদগাঁওতে আসতে মরন দশায় পড় তে হচ্ছে চলাচলকারীদেরকে। ঝুঁকি নিয়ে দিবা রাত্রী চলাফেরা আর কতকাল?এমন প্রশ্নে ঘোর পাক খাচ্ছে সচেতন মহলের মাঝে।
সড়কের কাজ দ্রুত শুরু করতে সংশ্লিষ্টের নিকট জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক খুলে লোকজন বিপাকে পড়েছে। প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে ৫/৬ হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে। জনদূর্ভোগ কাটছেনা কোনভাবেই।
ইসলামাবাদের চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক জানান, গজালিয়া সড়কটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে ফেলে দীর্ঘ ১ বছর পূর্বে। সংস্কার কাজে সময় ক্ষেপন করে চলছে। সড়কটিতে ধুলাবালি এবং গর্তের কারনে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে।













