
সিবিকে ডেস্কঃ
গত ১৪ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউনের আদলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার শুরু দিন থেকেই গণপরিবহন বন্ধ ছিল। ২২ দিন পর সড়কে আবারও চলতে শুরু করেছে গণপরিবহন। আন্তঃজেলা বাস নগরে ঢুকতে পারবে না। অর্ধেক যাত্রী আর বর্ধিত ভাড়া নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কনফারেন্স রুমে এক বৈঠকে নগরে গণপরিবহন চলতে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নগরে গণপরিবহন চলবে। এতে প্রতি ২ সিটে একজন করে যাত্রী নেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে ষাট শতাংশ বর্ধিত ভাড়া পরিশােধ করতে হবে যাত্রীদের। প্রতি গাড়িতে মাস্ক রাখতে হবে। কোন যাত্রী মাস্ক ছাড়া এলে তাকে মাস্ক প্রদান করতে হবে।
আরও বলা হয়, ‘আন্তঃজেলা বাস চলাচল করলেও এসব বাস নগরে প্রবেশ করতে পারবে না। দক্ষিণ জেলার বাস শাহ আমানত সেতু এলাকার মইজ্জারটেক পর্যন্ত আসতে পারবে। অন্যদিকে উত্তর জেলার বাস কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত আসতে পারবে।’
এদিকে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধুমাত্র জেলার গাড়ি জেলাতে চলাচল করতে পারবে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ রয়েছে যাত্রবাহী ট্রেন ও নৌযান চলাচল।
এসব নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে, সড়কে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বিআরটিএর নির্দেশনাগুলো হলো— আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে উল্লিখিত মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০%) বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার (বিদ্যমান ভাড়ার ৬০% বৃদ্ধি) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।













