
মন্ত্রণালয়ের ওই সূত্র এএফপিকে জানায়, কয়েক বছর আগে লিবিয়ার আদালতের দেওয়া এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সাদি গাদ্দাফিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে মুক্তির পর তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানানো হয়নি। এদিকে মুক্তির পর সাদি দেশত্যাগ করে তুরস্কে গেছেন বলে জানিয়েছে একাধিক গণমাধ্যম।
সাদির মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লিবিয়ার কৌঁসুলি কার্যালয়ের একটি সূত্র। সূত্রটি জানিয়েছে, আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করতে কয়েক মাস আগে আরজি জানান লিবিয়ার প্রধান কৌসুঁলি। এ জন্য তাঁকে দেশে অবস্থান বা ত্যাগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
লিবিয়ায় ফিরিয়ে আনার পর সাদির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে ছিল লিবিয়ার ফুটবল দলের কোচ বশির আল–রায়ানিকে হত্যা। পরে ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাঁকে এই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।
২০১১ সালে গাদ্দাফি হত্যার পর থেকেই গোলযোগ চলছে লিবিয়ায়। তখন থেকে দেশটির ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নামে বিরোধী দলগুলো। পরে ২০২০ সালে অস্ত্রবিরতির মধ্য দিয়ে তাদের সংঘাত থামে, খুলে যায় শান্তি আলোচনার পথ। চলতি বছরের মার্চে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে লিবিয়া। আগামী ডিসেম্বরে দেশটিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।













