ঐক্য ও অভিন্নতায় ঈদগাঁও উপজেলা হউক পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের রোলমডেল

0
6

কাফি আনোয়ার: 

মুঘল সুবেদার শাহ সুজা এই অঞ্চলে আগমনের পূর্বে ঈদগাঁও ছিল নয়াবাদ পরগনার সমৃদ্ধ জনপদ। যা ১৬৬২ সালে ভ্রাতৃবিবাদে বাংলা অভিমুখী সুবেদার শাহ সুজার আগমনের পূর্বকাল পর্যন্ত ইতিহাসের অপভ্রংশ ছিল।

নয়াবাদ অঞ্চলের খরস্রোতা নদীর( ঈদগাঁও নদী বা ফুলেশ্বরী নদী) অব্বাহিকার উর্বর ও সমৃদ্ধ জনপদে সুবেদার শাহ সুজা ও তাঁর সৈন্যসামন্তের পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ধীরেধীরে এই নয়াবাদ জনপদ ঈদগাঁ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠে ।

ঈদগাঁ ছিল বৃহত্তর জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ অঞ্চল।
যা ছিল বর্তমান ঈদগাঁও,জালালাবাদ,ইসলামাবাদ,পোকখালী,ইসলামপুর,ভারুয়াখালি ও চৌফলদন্ডীর প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু।
সর্বশেষ ১৯৯২ সালে বৃহত্তর ঈদগাঁও ও পোকখালী ইউনিয়ন স্থানীয় সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে আলাদা আলাদা ৩টি ইউনিয়নে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু এই বৃহৎ অঞ্চলের গণমানুষের পরিচয় ঐতিহাসিকভাবেই ঈদগাঁও কেন্দ্রিক।
১৯৯২ সালে বৃহত্তর ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভেঙে জালালাবাদ ও ইসলামাবাদ নামাংকিত হয়ে দুটি আলাদা ইউনিয়নের জন্ম লাভ করে। ইতোপূর্বে এই ইউনিয়ন দুটি ছিল ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ২টি ওয়ার্ড। অর্থাৎ ইসলামাবাদ আর জালালাবাদ বলে যাদের বিভক্ত করা চেষ্টা করা হচ্ছে তারা ঈদগাঁও’র বাইরের কেউ নয়।
বিভক্তির কোন সুযোগ এখানে নেই।
পোকখালী,ইসলামপুর,জালালাবাদ,ইসলামাবাদ ও ঈদগাঁও এই ৫টি ইউনিয়ন মিলেই সমন্বিত ঈদগাঁও উপজেলা এবং ঈদগাঁও থানা। এই ইউনিয়নগুলিই থানা ও উপজেলার জুরিসপ্রুডেন্স( jurisprudence) বা আইনগত অধিক্ষেত্র।

এখানে কাউকে বিচ্ছিন্ন বা বিভক্তি করা চেষ্টা করা মানে বৃহৎ এই অঞ্চলে আবহমানকাল ধরে বিদ্যমান ভ্রাতৃবোধ, সম্প্রীতি ও পারষ্পারিক বন্ধনকে অস্বীকার করা। যা কোনভাবেই সমীচীন বা কাম্য নয়।

এই অঞ্চলের মানুষে মানুষে যে ভ্রাতৃত্ব,সম্প্রীতির বন্ধন, পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ভালবাসা ও আস্থার কনক্রিট ক্ষেত্র তা অন্য যেকোন অঞ্চলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালি এবং প্রাণবন্ত। যা এই অঞ্চলের মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত গৌরব এবং অহংকারের একটি বিশেষ স্থানজুড়ে সমাদৃত ।
এখানে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা সমষ্টিগতভাবে বিচ্ছিন্ন বা বিভক্ত করার সুযোগ নেই।

ঈদগাঁও উপজেলা ঘোষণা করার আগে শাসনতান্ত্রিক কাঠামোতে ঈদগাঁও ছিল শ্রেফ একটি ইউনিয়ন। বৃহত্তর ঈদগাঁও ইউনিয়ন থেকে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সুবিধার্থে বিভক্ত হওয়া পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নগুলি নিয়ে সমষ্টিগতভাবে ঈদগাঁও’কে উপজেলা হিসেবে উন্নীতকরণের দাবি দীর্ঘদিনের।

এরপর কত যুগ বছর পার হলো। কত সরকার এলো গেলো। ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়নের সেই স্বপ্নও দিনে দিনে ফিকে হতে হতে এক সময় বিবর্ণ হতাশায় পর্যবসিত হয়েছে। বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ এই অঞ্চলের গণমানুষের সেই স্বপ্ন অধরাই থেকেছে।
ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত সত্য, কোন মহানায়কের আবির্ভাব ছাড়া কোন কালেই কোন জনপদের গণমানুষের বৃহৎ আশা, আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন কিংবা প্রত্যাশা যুগে যুগে কেবল দিবাস্বপ্ন হয়েই মনের আবেগ, আকুতি, ক্লেশ ও না পাওয়ার বেদনাকে দীর্ঘস্থায়ী হতে হয়েছে।
গত ৩৫৯ বছরের ইতিহাসে ঈদগাঁও, ঈদের গ্রাম থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তম বাণিজ্যিক উপশহরের খ্যাতি অর্জন করেছে। বাৎসরিক হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড এই ঈদগাঁও বাজারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে।

কিন্তু প্রশাসনিক পূর্ণবিন্যাসে এতদিন ধরে এটি কেবল একটি ইউনিয়ন। অথচ কত আগেই এই ঈদগাঁও থানা, উপজেলা কিংবা পৌরশহরে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
আমাদের সেই স্বপ্নগুলি প্রতিদিনই দুঃস্বপ্নের মত মরতে মরতে এক পর্যায়ে সেই দাবি, সেই স্বপ্ন মরা আর বন্ধ্যা হিসেবেই স্তমিত হয়ে যেতে থাকে।

বর্তমান বাংলাদেশ এক অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। সুষম উন্নয়ন ও টেকসই পরিকল্পনার সুফল বাংলাদেশের ঘরেঘরে।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পর একটি সোনালী সময় আমরা অতিক্রম করছি। ঈদগাঁও’র বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সূর্যসন্তানেরা এই অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন স্তরে সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই সৌভাগ্য, এই প্রাপ্তি এমন সমরেখায় চলমান যা অর্জনে ঈদগাঁও’র আপামর জনসাধারণকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩৫৯ বছর। দেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ৫০ বছর।

উপজেলা কিংবা থানা ঈদগাঁওবাসীর পাওনা অনেক আগের হলেও কোন স্বপ্ননায়কের দৃঢ় সংকল্প এবং এলাকার গণমানূষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা ও নিবেদিতপ্রাণ ঐকান্তিকতা ছাড়া তা সম্ভব হয়ে উঠেনি। ফলশ্রুতিতে অতীতের সকল উদ্যোগ,সকল প্রচেষ্টা কেবল অরণ্যরোদন হয়ে ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের পর ঈদগাঁও’র কোন ভূমিপুত্রকে একজন সচিব বা সচিব মর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে পেতে সময় লেগেছে ৩৫৯ বছর কিংবা ৫০ বছর। এই মহানায়কের আগমণের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে ৩৫৯ বছর।
অবশেষে সেই মহানায়ক, ফুলেশ্বরী নদীবিধৌত উর্বর মাটি ও স্তণ্যজলে পরিপুষ্ট ভূমিপুত্র হেলাল উদ্দীন আহমদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে আগমণে এই অঞ্চলের বঞ্চিত উপেক্ষিত গণমানূষের প্রলম্বিত উপজেলার স্বপ্নসাধ পূর্ণ হল।
এই স্বপ্নসাধ পূরণে কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে ঢের।

উপজেলার গঠনের আইনগত বৈতরণি অতিক্রম করতে এবং যোগ্যতার মানদণ্ড বিচারে অযোগ্যতাই বেশ প্রকট হয়ে উঠেছিল।
নতুন উপজেলা গঠনে বর্তমান সরকারের নেতিবাচক নীতিগত সিদ্ধান্ত,উপজেলা গঠনে আইনগত অযোগ্যতার অনিশ্চিত যাত্রায় ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়নের স্বপ্ন যখন বিড়ম্বিত ভাগ্যে প্রাহসনিক পেণ্ডুলামের মত দোলেছে, ঠিক সেই সময়েই ঈদগাঁও’কে উপজেলায় রুপান্তরিত করার সমস্ত দায়ভার ও ঝুঁকি নিজ কাঁধে তুলে নিয়ে এই অঞ্চলের গণমানুষের গণআকাঙ্ক্ষা মেটালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দীন আহমদ। তাঁর বিশেষ নির্দেশনায় শর্তশিথিলযোগ্য ও উপকূলীয় ক্যাটাগরিতে ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে অভূতপূর্বভাবে ঈদগাঁও উপজেলা গঠনে সমস্ত দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন অবিশ্বাস্য দ্রুততায়।

তখনও ঈদগাঁও’কে উপজেলায় রুপান্তরের ভবিষ্যৎ মসৃণ নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া এই অভিযাত্রা অপূর্ণ। মাস বছর পেরিয়ে গেল। করোনাক্রান্তিতে বারবার পিছিয়ে পড়েছে স্বপ্নপূরণের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

অবশেষে নানা ঘাতপ্রতিঘাত ও বন্ধুর পথ পেরিয়ে ২০২১ সালের ২৬ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির( নিকার) ভার্চ্যুয়াল সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উঠে। তখনো প্রধানমন্ত্রী নতুন উপজেলা গঠনে নেতিবাচক সিদ্ধান্তে নীতিগতভাবে অনমনীয়।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির( নিকার) সদস্য ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব হেলাল উদ্দীন আহমদ তখন ঈদগাঁও উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের স্বপক্ষে অকাট্য যুক্তি, উপযোগিতা,বর্তমান উপজেলা সদরের দূরত্ব, সরকারের প্রধানের প্রদত্ত অতীত প্রতিশ্রুতি, প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক অনিবার্যতা এবং গণমানূষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে অনেকটা বাধ্য করেন এবং ঈদগাঁওকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করার অনুমোদন আদায় করেন।
এই মাটির আরেক সূর্যসারথী, ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল( অব) ফোরকান আহমদের ক্রমাগত তাগিদ ও অনুপ্রেরণা আর প্রধান সমন্বয়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নূরুল আজিমের ক্লান্তিহীন দাপ্তরিক ছুটাছুটি উপজেলা উন্নীতকরণের কঠিন বৈতরণি অতিক্রম সহজতর করেছে।

উপজেলা গঠনের অভিপ্রায় হলো সরকারের নাগরিকসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। কেন্দ্র কেন্দ্রে পুঞ্জীভূত নাগরিকসেবাকে একটি নুন্যতম দূরত্বের মধ্যে নিয়ে আসা।
কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয়, অকৃতজ্ঞ জাতির ক্ষমাহীন পরিহাস ফের মধ্যবিত্ত সংকীর্ণতায় জেঁকে বসেছে।
ঈদগাঁও উপজেলার অভ্যন্তরে একটি কায়েমী স্বার্থবাদি,পরশ্রীকাতর,ক্ষুদ্র আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদী চেতনার বিচ্ছিন্নতাবাদি গোষ্ঠী তাদের সংকীর্ণ ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার
হীনমানসে অপতৎপরতা, বিষোদগার এবং কীর্তিমান নেপথ্যচারী নায়কদের নামে বিভ্রান্তি ও কুৎসা ছড়াতে শুরু করেছে।
লোকরঞ্জনবাদি রাজনীতির আড়ালে এই অঞ্চলের গণমানূষের মাঝে বিভক্তি,বিভাজন এবং বিদ্বেষের বিষবাষ্প উদগারে নানা ফন্দিফিকির ও কূটকৌশলে উন্মত্ত হয়ে উঠেছে অনেকে। বৃহত্তর ঈদগাঁও’র গণমানুষের মাঝে বিদ্যমান ইস্পাতকঠিন ঐক্যে চিড় ধরানোর সচেষ্ট দাদাগিরির ওপেনসিক্রেট গুপ্তমহড়া নৈরাশ্যবাদীদের মনোযাতনাকে প্রতিভাত করছে।

আপন আলয়ের বৈঠককক্ষে কিংবা গৃহকোণের ন্যুনতম দূরত্বে ঈদগাঁও উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণের যুক্তিহীন, অরুচিকর, মনোবৈকল্যগত বিকৃত আবদার পূরণের নগ্ন আস্ফালন, উল্লম্ফন, বিচ্ছেদকাতরতা, জনতাসংগঠনের দুরভিসন্ধিমূলক প্রোপাগাণ্ডা আমাদের অর্জন এবং বৃহৎ ঈদগাঁও অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সহজাত আবেগ, নিঃস্বার্থ ভালবাসা, ভ্রাতৃত্ব,সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে বিভ্রান্তি ও দ্বিধা বিভক্তির পায়তারায় ঘনঘন প্রসাদষড়যন্ত্রবৎ বৈঠকে মিলিত হচ্ছে। যা অশুভ ইঙ্গিত বহন করছে।
ইদানীং সবকিছুতেই নিজের স্বার্থ খোঁজা,প্রভাববলয়ের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার অযাচিত বাহানা আর বাসনা যেন আমাদের তথাকথিত সেকেলে মধ্যবিত্তীয় নেতিবাচক মনোবৃত্তি, সংকীর্ণতার বদসুরত আর বদখাসলতে পরিণত হয়েছে।
যা সামাজিক, রাজনৈতিক সবক্ষেত্রেই অমার্জনীয়।

যূৎসই, মনোরম, যোগাযোগবান্ধব, ঝুঁকিমুক্ত,শান্তিময়, নিরাপদ, দালালমুক্ত এবং যৌক্তিক স্থানেই প্রতিষ্ঠিত হউক ঈদগাঁও উপজেলা কমপ্লেক্স। সেটা ঈদগাঁও, জালালাবাদ, ইসলামাবাদ বা অন্য যেকোন স্থানে হতে পারে। সর্বোপরি যার একক চেষ্টায় এই অনবদ্য ইতিহাস আর অর্জন ঈদগাঁওবাসীর ভাগ্যতিলকে রাজরাজটীকা হিসেবে
দেদীপ্যমান সেই ভূমিপুত্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই আমাদের সকলের শিরোমনি হয়ে উঠুক। এই শ্রদ্ধা,ত্যাগ আর কৃতজ্ঞতাবোধে উত্তরপ্রজন্মের জন্য আমরা একটি সাম্য,ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন রেখে যেতে চাই, যা টেকসই, পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও গুণগত উৎকর্ষতাকে একটি কাঙখিত উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।

হাইপারবোলিক নোংরা রাজনীতি বন্ধ হউক। অটুট বন্ধনে এগিয়ে যাক ঈদগাঁও উপজেলার মানুষ।
ঐক্য ও অভিন্নতায় ঈদগাঁও উপজেলা হয়ে উঠুক পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের রোলমডেল।

আগেবিএনপি আরও একটি ওয়ান ইলেভেনের স্বপ্নে বিভোর: কাদের
পরেপাগলীর সন্তানের পিতা এমপি বদি!