
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত চলছে।
তাসনিমের মামা এ বি এম ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, মজিবুল হক ১৮ বছর বিদেশ ছিলেন। দেশে ফেরার পর তিনি ব্যবসার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিকে ১২ লাখ টাকা দেন। কিন্তু যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁরা আর ফেরত দেননি। এ নিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এ ছাড়া তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগের সমস্যায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে তাঁর বোন ও ভাগনিদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বকাঝকা করতেন।
ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, গত বুধবার (২৫ মে) মজিবুল মেয়েদের অনেক বেশি বকাঝকা করেন। একপর্যায়ে তিনি তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এ সময় বড় মেয়ে তাসনিম জাহান বাড়ি থেকে চলে গেলে তাদের খুঁজবে কি না, বাবার কাছে জানতে চান। মজিবুল তাদের খুঁজবে না বলে জানান। পরে মারজাহান ও তাজিন সুলতানা বুধবার বিকেলে তাদের নানার বাড়ি পার্শ্ববর্তী নারুয়া গ্রামে চলে আসে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাসনিম জাহানও ছোট বোন মাইশাকে নিয়ে নারুয়া গ্রামে নানার বাড়ি আসেন। এরপর তাসনিম নাঙ্গলকোটে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে তিন বোনকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান বলে জানান সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা চলে যাওয়ার পর আমার মায়ের সন্দেহ হয়। তিনি বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নাঙ্গলকোট মাদ্রাসায় গিয়ে জানতে পারেন তারা সেখানে যায়নি। পরে বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও তাসনিম জাহানের বান্ধবীদের কাছে খোঁজ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।’
শিশুদের মা মাসুদা আক্তার বলেন, ‘আমি আমার মেয়েদের ফেরত চাই। ওরা রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে।’
নাঙ্গলকোট আফসারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হান্নান বলেন, তিনজন ছাত্রীর নিখোঁজের বিষয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন।













