
সোমবার (১৮ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সংলাপে বসে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে এই প্রস্তাব রেখেছে দলটি।
লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে- জাতীয় পরিষদই হবে মুক্তির দিশা।
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহের দলীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত হবে জাতীয় পরিষদ৷ জাতীয় পরিষদের সাধারণ কর্ম নির্বাহের জন্য আহ্বায়ক হিসেবে নির্দিষ্ট থাকবেন পদাধিকার বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর ওই পরিষদের চূড়ান্ত নির্দেশনাকারী কর্তৃত্বে থাকবেন রাষ্ট্রপতি।নির্বাচনকালীন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংসদ ভেঙে দিয়ে উক্ত প্রাতিষ্ঠানিক রূপে সম্মিলিত রাজনৈতিক ফোরাম বা জাতীয় পরিষদে দলীয় প্রধানদের মধ্যে যিনি এর আগে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, এমন কাউকে ‘নির্বাহী প্রধান’ নিযুক্ত করা মাত্রই ওই সর্বদলীয় ফ্রন্টই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন প্রাতিষ্ঠানিক সরকারের ভূমিকায় Suo Moto Government হিসেবে সক্রিয় হয়ে উঠবে।
দলের সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্নার নেতৃত্বে সংলাপে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনাররাসহ ইসির কর্মকর্তারাও এতে অংশ নিয়েছেন।













