
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালীর ৮ নং ওয়ার্ডের ফারিরবিল এলাকার বার্মায়া হামিদ এর পুত্র নজিম উল্যাহ স্ত্রী আনোয়ারা আক্তার ও শাশুড়ি খাইরুননেছা সহ চার জন প্রায় দেড় লাখ ইয়াবাসহ র্যাবের আটক হলেও ইয়াবার মূল মালিক বার্মায়া নজিম উল্লাহ রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।এই নিয়ে এলাকায় চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা।
জানা যায়,গত ২০ জুলাই নজিব উল্লাহর স্ত্রী আনোয়ারা, শাশুড়ি খাইরুননেছা সহ সিন্ডিকেটের ৪ সদস্য বিপুল ইয়াবা বিক্রি করতে বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে অবস্হান করাকালীন ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ র্যাব হাতে আটক হয়েছে।এরপর থেকে সিন্ডিকেট প্রধান নজিম উল্লাহ আত্মগোপনে চলে গেছে।নজিম উল্লাহ একজন পুরাতন রোহিঙ্গা, সেই ফারিরবিল এলাকার সৈয়দ আকবরের মেয়ে আনোয়ারা আক্তারকে বিয়ে করে স্হানীয়দের সাথে মিশে যায়।সেই সুবাদে নজিম উল্লাহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা তার আত্নীয়সজন ও শশুরবাড়ির লোকজনকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে।
গোপন সূত্রে পাওয়া,নজিম উল্লাহ মিয়ানমারের শীর্ষ সন্ত্রাসী নবী হোসেনের মাধ্যমে নাফ নদী থেকে ইয়াবার চালান এনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার সিন্ডিকেটের কাছে জমা রাখে।নজিম উল্লাহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নবী হোসেনের আত্নীয় ও এককথায় তার ডান হাত বললেই চলে।প্রতিবারের মতো এইবারও নজিম উল্লাহ মায়ানমার থেকে ৩ লাখের বেশী ইয়াবার চালান এনেছেন।সেই চালান থেকে কিছু ইয়াবা নজিম উল্লাহ ও তার সিন্ডিকেট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাচার করেছে বাকী ইয়াবা গুলো অন্যস্থানে পাচারের সময় তার স্ত্রী ও শাশুড়ি সহ সিন্ডিকেটের ৪ সদস্য আটক হয়েছে।এরপর থেকে চালানের বাকী ইয়াবা নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় নজিম উল্লাহ।
স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সিন্ডিকেটের প্রধান নজিম উল্লাহ রোহিঙ্গা এবং স্ত্রী স্হানীয় হওয়ার সুবাদে তারা আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত রয়েছে।তাদের এলাকা ভিত্তিক একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে, এই সিন্ডিকেটে স্হানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও জড়িত,তাদেরকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে সিন্ডিকেট পরিচালনা করে নজিম উল্লাহ। তাদের সহযোগীতায় মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান গুলো আসে।নজিম উল্লাহ আত্মগোপনে গিয়ে বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নবী হোসেনের আস্তানায় থাকলেও তার ছোট ভাই এনায়েত উল্লাহ বাড়িতে থেকে সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে।
এই বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ মোহাম্মদ আলী জানান,তাদেরকে ইয়াবাসহ র্যাব আটক করেছেন। আমরা তদন্ত করে দেখবো এবং ইয়াবা কারবারি যে-ই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।












