
স্পোর্টস ডেস্কঃ
আর্জেন্টিনার শিরোপা ঘরে তোলার মধ্যদিয়ে ১৮ ডিসেম্বর পর্দা নেমেছে কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের। আগে থেকে ফুটবল বোদ্ধাদের বিশ্বাস ছিল মেসির হাতেই উঠছে এবারের বিশ্বকাপ ট্রফি। তাদের সেই ধারণার সত্যতার শতভাগ মিলে গেলেও আসরের সব থেকে বড় চমক আফ্রিকার দেশ মরক্কোর কথা কেউ ভুলতে পারবে না। একের পর এক ম্যাচে ফুটবল শৈলীতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিশ্বকে। যদিও শেষ চারে গিয়ে ধাক্কার খায় দলটি। তাতে কি। গ্রুপ পর্ব থেকে যেভাবে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করেছে তাতে এই দলকে নিয়ে গর্ব করতে পারে তাদের দেশ মরক্কো।
তাই তো কাতার বিশ্বকাপ শেষে ইতিহাসের সেরা অর্জন নিয়ে দেশে ফেরার পর হাকিমি-জিয়েচদের বীরোচিত সংবর্ধনা দিয়েছে দেশের মানুষ। দেশে পৌঁছানোর পর ছাদখোলা বাসে রাজধানী রাবাত শহর প্রদক্ষিণ করে অ্যাটলাস লায়ন্সরা। এ সময় হাজার হাজার জনগণ তাদের রাস্তায় সংবর্ধনা জানায়। ইতিহাসে নতুন সোনালি পালক যুক্ত করায় বিশ্বকাপ জয় না করেও চ্যাম্পিয়নদের মতো মর্যাদা পেয়েছে নিজেদের দেশে।
এবারের বিশ্বকাপে মরক্কো যে কোনো দল হিসেবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে ইউরোপীয়ান জায়ান্ট দলদের বিদায় করে দিতে পারে সেটা কেউ ধারণাও করতে পারেনি। মরক্কো যেই গ্রুপে এবারের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল সেই গ্রুপে গতবারের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়া, সোনালি প্রজন্মের বেলজিয়াম এবং কানাডা ছিল। মরক্কো তাদের রুখে দিয়ে ইতিহাসে প্রথম বারের মতো নকআউট পর্বে পা রাখে।
এরপর নকআউট রাউন্ডে একে একে স্পেন এবং পর্তুগালকে বিদায় করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় অ্যাটলাস লায়ন্সরা। তবে ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরে থেমে যায় মরক্কানদের জয়রথ। ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের আগ পর্যন্ত তাদের জালে কোনো দলই একটি গোল করতে পারেনি।
পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপে চতুর্থ হয় মরক্কো। আফ্রিকান যে কোনো দেশের বিশ্বকাপে এটিই সর্বোচ্চ অর্জন।













