
সিবিকে ডেস্কঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার (৫ মে) রাত সাড়ে ১১ টায় নগরের পতেঙ্গা থানার ডেইলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন— খাইরুল বশর ওরফে পুতু এবং মো. সালাউদ্দিন।
র্যাব জানায়, গত ২৫মে মধ্যরাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থানার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শামীম আল মামুন টহল ডিউটি করার সময় মামলার প্রধান আসামি রাকিবকে হাতে কিরিচসহ রাস্তার উপর দেখতে পায়। পরে পুলিশের টহল টিম গ্রেপ্তারের জন্য ধাওয়া করলে রাকিব চিৎকার শুরু করে। এসময় রাকিবের চিৎকার শুনে তার আত্মীয় স্বজন ধারালো চাপাতি, কিরিচ, রাম-দা, ধামাদা, লোহার রড, বাঁশের লাঠি, হাতুড়ি ইত্যাদি নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। সে সময় রাকিব হাতে থাকা কিরিচ দিয়ে এসআই শামীম আল মাসুমে মাথায় কোপ মেরে গুরুতর জখম করে এবং তার অন্যান্য সহযোগিরা বাকি পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে পুলিশের একটি অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে ওই স্থান থেকে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহতাবস্থায় এসআই শামীম আল মামুন, কনস্টেবল তারিকুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ মামুনকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পাঠান। বর্তমানে আহত পুলিশ সদস্যরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিৎিসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় এসআই অপু দে বাদী হয়ে ৩০ জন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া থানার একটি মামলা দায়ের করেন। এরপরই কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামী রাকিবকে ছিনতাইকৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। পলাতক বাকি আসামীদের গ্রেপ্তার করতে গোয়েন্দা নজরদারী এবং ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা খাইরুল বশর ওরফে পুতু এবং মো. সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার সিভয়েসকে বলেন, চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় পলাতক দুই আসামিকে পতেঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা পরিকল্পনা করে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়েছিল বলে স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।













