
নিজস্ব প্রতিনিধি,উখিয়া
উখিয়ার ভালুকিয়া পালং থিমছড়ি এলাকায় আদালতে বিচারাধীন জমি জবর দখল করে জোরপূর্বক স্হাপনাা তৈরীর অপচেষ্টা করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে।
পরামানিক গবেষণা ইন্সটিউটের সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর মীর কাশেম চৌধুরীর ছেলে হাসমত কাশেম চৌধুরী আলীম অভিযোগ করে বলেন ওই এলাকার হাজী আবুল হোসেনের ছেলে আয়াজ ও ইউনুসের নেতৃত্বে একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে জোরপূর্বক ভাবে আমাদের ভোগ দখলীয় জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপনা তৈরীর অপচেষ্টা করেতেছে। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কে অবহিত করা হয়।
উখিয়া থানার এস আই প্রভাত বড়ুয়া জানান আইন শৃঙ্খলা ও শান্তি পূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার স্বার্থে আদালতে বিচারাধীন এবং বিরোধীয় জাগায় কোন প্রকার স্থাপনা তৈরী না করার জন্য বারণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন আইন অমান্য করে কেউ স্থাপনা তৈরির নামে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অপচেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা যায় উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়ন থিমছড়ি মাঝের পাড়া গ্রামের মৃত মৌলভী আনোয়ারুল হকের নিকট হতে ১৯৭৭ সালে এবং ১৯৯৮ সালে মোট ১ একর জমি খোরশিদা বেগম চৌধুরানী ছেলে ইউছুপ কাশেম চৌধুরীর নামে ক্রয় করে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ করে আসতেছে। উক্ত জমির মালিকানা হিসেবে তাদের নামে উখিয়া ভূমি অফিসে নামজারি বি এস খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়। যার নম্বর ৫০০৭ ও ৩১৬৯।
অভিযোগে প্রকাশ, কিছুকাল যাবত ওই এলাকার আয়াজ গং বাহুবল প্রদর্শন করে উক্ত জায়গা জমি জবর দখলের অপচেষ্টা সহ স্হাপনা তৈরীর পায়তারা করে আসছিল।
এ ব্যাপারে জায়গার মালিক ও সাবেক বৈজ্ঞানিক ডক্টর মীর কাশেম চৌধুরীর স্ত্রী খুরশিদা বেগম চৌধুরানী বাদী হয়ে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং এম আর ৭২৬/২০১৯।এতে বিবাদী করা আয়াজ ও আবুল হোসেন কে।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য উখিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে দায়িত্ব প্রদান করেন একই সাথে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে সহকারি কমিশনার ( ভূমি) মামলার তদন্ত স্বার্থে ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।
হাসমত কাশেম চৌধুরী আলীম অভিযোগ করে বলেন, আদালতে বিচারের দিন অবস্থায় মামলা বিবাদী আয়াজ গং আমাদের ৩০/৪০ বছরের ভোগ দখলীয় জায়গা জবরদখল করার জন্য রাতারাতি ঘেরা বেড়া ও সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়। সহকারি কমিশনার (ভূমি) বিবাদীকে সাইনবোর্ড অপসারণ করে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এর কিছুদিন পার হতে না হতে গতকাল শুক্রবার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর সহযোগিতায় অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালায়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জোরপূর্বক ভাবে স্থাপনা তৈরীর কাজ বন্ধ করে দেয়।












