
খালেদ শহীদ, রামু
রামুতে করোনার কারণে কর্মহীন পাঁচ হাজার পরিবহণ শ্রমিক পরিবার দুর্দিনে জীবন অতিবাহিত করছে। তিন সপ্তাহ ধরে রোজগার বন্ধ থাকায় রামু উপজেলার পরিবহণ শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছে, রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দরা। দূর্দিনে অসহায় পরিবহণ শ্রমিকরা এখনও সরকারি সহায়তা পায়নি। এই দূর্যোগ মুহুর্তে পরিবহণ শ্রমিকদের পাশে না দাঁড়ালে তারা কর্মহীন হয়ে পেশা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। পরে গণপরিবহণ সচল করতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী হবে বলে জানান পরিবহণ শ্রমিক নেতারা।
উপজেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে বলে অসহায় পরিবহণ শ্রমিকদের তালিকা নেয়া হয়। দু’সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কোন ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে জানান, রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দরা। ত্রাণ না পাওয়ায় জীবিকার তাগিদে অনেকেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থা করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য চরমহুমকি হবে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।
পরিবহণ শ্রমিক নেতারা বলেন, আলহাজ¦ সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি দু’সপ্তাহ আগে রামু উপজেলার এক হাজার পরিবহণ শ্রমিককে ১০ কেজি করে চাল দিয়েছেন এবং রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০০ জনকে ৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়। এত দিনে তাও শেষ হয়ে গেছে বলে জানা পরিবহণ শ্রমিক নেতারা।
রামুতে করোনার কারণে কর্মহীন পাঁচ হাজার পরিবহণ শ্রমিক পরিবার দুর্দিনে জীবন অতিবাহিত করছে। তিন সপ্তাহ ধরে রোজগার বন্ধ থাকায় রামু উপজেলার পরিবহণ শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছে, রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দরা। দূর্দিনে অসহায় পরিবহণ শ্রমিকরা এখনও সরকারি সহায়তা পায়নি। এই দূর্যোগ মুহুর্তে পরিবহণ শ্রমিকদের পাশে না দাঁড়ালে তারা কর্মহীন হয়ে পেশা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। পরে গণপরিবহণ সচল করতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী হবে বলে জানান পরিবহণ শ্রমিক নেতারা।
উপজেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে বলে অসহায় পরিবহণ শ্রমিকদের তালিকা নেয়া হয়। দু’সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কোন ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে জানান, রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দরা। ত্রাণ না পাওয়ায় জীবিকার তাগিদে অনেকেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থা করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য চরমহুমকি হবে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।
পরিবহণ শ্রমিক নেতারা বলেন, আলহাজ¦ সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি দু’সপ্তাহ আগে রামু উপজেলার এক হাজার পরিবহণ শ্রমিককে ১০ কেজি করে চাল দিয়েছেন এবং রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০০ জনকে ৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়। এত দিনে তাও শেষ হয়ে গেছে বলে জানা পরিবহণ শ্রমিক নেতারা।
বিশ্ব দূর্যোগ করোনায় লকডাউনে রামু উপজেলা অটোরিক্সা সিএনজি টেম্পো পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়ন, রামু লাইন-কক্সলাইন আরকান শ্রমিক ইউনিয়ন, পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন, মাইক্রো শ্রমিক সমিতি, জীপ শ্রমিক সমিতি, টমটম শ্রমিক সমিতি ও ছারপোকা শ্রমিক ইউনিয়নের পাঁচ হাজার পরিবহণ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে বলে জানান, রামু সড়ক পরিবহণ মোটর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন।
তিনি বলেন, প্রাণঘাতী করোনা সংক্রমণের পর ২৫ মার্চ থেকে রামু-কক্সবাজার সড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক, ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা সড়ক সহ উপজেলা প্রত্যেকটি সড়কে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সড়কে ৫ থেকে ৬ হাজার শ্রমিক গণপরিবহণ নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে। সরকারের বিধিনিষেধ থাকায় নিয়মিত গাড়ি চালাতে পারছেন না, ফলে উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে এ সব শ্রমিকের।
অসহায়ত্বের কথা জানান রামু মাইক্রো শ্রমিক সমিতির সভাপতি কাঞ্চন বড়–য়া, রামু উপজেলা অটোরিক্সা সিএনজি টেম্পো পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন ও জীপ শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃদুল বড়–য়া। তারা জানান, রামুতে পরিবহণ শ্রমিকরা দৈনিক মজুরি বা ট্রিপ ভিত্তিক চাকুরি করে থাকে। তারা দিনে আনে দিনে খায়। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে ছেলেমেয়েদের মুখে দু’বেলা খাবার দিতে পারব কিনা, জানিনা। পরিবহণ শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।
তিনি বলেন, প্রাণঘাতী করোনা সংক্রমণের পর ২৫ মার্চ থেকে রামু-কক্সবাজার সড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়ক, ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা সড়ক সহ উপজেলা প্রত্যেকটি সড়কে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সড়কে ৫ থেকে ৬ হাজার শ্রমিক গণপরিবহণ নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে। সরকারের বিধিনিষেধ থাকায় নিয়মিত গাড়ি চালাতে পারছেন না, ফলে উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে এ সব শ্রমিকের।
অসহায়ত্বের কথা জানান রামু মাইক্রো শ্রমিক সমিতির সভাপতি কাঞ্চন বড়–য়া, রামু উপজেলা অটোরিক্সা সিএনজি টেম্পো পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন ও জীপ শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৃদুল বড়–য়া। তারা জানান, রামুতে পরিবহণ শ্রমিকরা দৈনিক মজুরি বা ট্রিপ ভিত্তিক চাকুরি করে থাকে। তারা দিনে আনে দিনে খায়। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে ছেলেমেয়েদের মুখে দু’বেলা খাবার দিতে পারব কিনা, জানিনা। পরিবহণ শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।
রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া বলেন, করোনার কারণে রামু উপজেলার হতদরিদ্র নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন। কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা জরুরিভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, জেনেছি সরকারের কাছে হতদরিদ্রদের তালিকা আছে। ইতিমধ্যে তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়াও তালিকার বাইরে যারা আছে, তাদেরও পর্যায়ক্রমে সামাজিক সুরক্ষায় সহায়তা প্রদানের আওতায় আনা হবে।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা বলেন, সরকার সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। চলমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্ট না পায়, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে প্রশাসনের।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা বলেন, সরকার সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। চলমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্ট না পায়, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে প্রশাসনের।













