
নিজস্ব প্রতিনিধি:
রামুতে বসতভিটা দখলে নিতে মধ্যযুগীয় কায়দায় কুপিয়ে একই পরিবারের ৫ জনকে মারাত্মকভাবে জখম করছে প্রতিপক্ষরা। তৎমধ্যে মারাত্মকভাবে জখমী ফুটবলার শিপন বড়ুয়া ও সুমন বড়ুয়া বর্তমানে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলের আইসিইউতে সিকিৎসাধীন রয়েছে। ২৩ এপ্রিল বিকাল সাড়ে তিনটায় রামুর বড়ুয়া পাড়া(মধ্যম মেরংলোয়া) এলাকায় এ ঘটনা সংঘটিত হয়। করোনা সংকটের এ পরিস্থিতিতে এরকম বর্বরোচিত জঘন্য ঘটনা এলাকার মানুষকে আতংকিত করে তুলেছে। তাদের মাঝে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ।
হামলায় আহত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সংগঠক, সামাজিক সংগঠন মিছিলের রামু উপজেলার সভাপতি ও ছাত্র নেতা লিমন জানান, জায়গা দখলে নিতে একটি কুচক্রীমহলের ইন্ধনে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী ঘাতক মিনু বড়ুয়া ও তার দুই সন্ত্রাসী ছেলে এডিসন বড়ুয়া, ম্যানশন বড়ুয়া ও তাদের বোন রুম্পা বড়ুয়া অতর্কিতভাবে ধারালো দা নিয়ে অামার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা করে। তাদের ধারালো দা’য়ের কোপে অামার বাবা-মা- ও বড় দুই ভাই শিপন বড়ুয়া ও সুমন বড়ুয়া মারাত্মকভাবে জখম হয়। তৎমধ্যে আমার দুই ভাইকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে চট্রগ্রামে প্রেরণ করেন। প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান এ প্রতিবেদককে।
এব্যাপারে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও সামাজিক সংগঠন মিছিলের প্রতিষ্ঠাতা সাখাওয়াত হোসেন তূর্য এঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক অাইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুুুুরোধ জানান।
পাড়ার একটি কুচক্রীমহলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকার মানুষের অভিযোগ। তারা মনে করেন এ রকম নেক্কারজনক ও বর্বরোচিত ঘটনা অতীতে বড়ুয়া পাড়ায় কখনও সংঘটিত হয়নি। উক্ত ঘটনা বড়ুয়া সম্প্রদায়ের জন্য মারাত্মক অশনী ও দুঃখজনক বিষয়। যা বড়ুয়া সম্প্রদায়ের মাঝে চলে আসা ভ্রাতৃত্ব নষ্ট করবে।
এব্যাপারে এলাকার জনসাধারন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা হামলাকারীদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন













